গত ১৩ই ফেব্রুয়ারী উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে শুরু হয়েছে দীর্ঘ প্রতিক্ষীত মহাকুম্ভ মেলা। দীর্ঘ ১২ বছর পর পর প্রয়াগরাজে এই মেলার আয়োজন করা হয়। তেমনই ২০১৩ সালের পর ফের ২০২৫ সালে মহাকুম্ভ মেলার আয়োজন করা হয়েছে। আর এই মেলা উপলক্ষে সেখানে হাজির হচ্ছেন কোটি কোটি মানুষ। ইতিমধ্যে পুণ্য তিথিতে কয়েক কোটি মানুষ স্নান সেরে ফেলেছেন। আরও মানুষ আসছেন। প্রশাসনের তরফে অনুমান করা হয়েছে, মেলায় সব মিলিয়ে আনুমানিক ৪০ থেকে ৪৫ কোটি মানুষ আসবেন।
মহাকুম্ভ মেলা হিন্দু ধর্মের মানুষের কাছে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় মেলা। এই মেলায় গঙ্গা, যমুনা ও অন্তঃসলিলা সরস্বতী নদীর মিলনস্থল অর্থাৎ ত্রিবেণী সঙ্গমে পুণ্যার্থীরা স্নান করেন মোক্ষ লাভের আশায়। আর এই বিশাল মেলায় দেখা মেলে বিভিন্ন ধরনের মানুষের। তার মধ্যে কিছু মানুষ সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হন। তেমনই একজন হলেন ‘মাসকুলার বাবা’ বা ‘পেশিবহুল বাবা’। যদিও তার নাম আত্মপ্রেম গিরি।
এই নামটি ভারতীয় নাম মনে হলেও আসলে তিনি রাশিয়ার বাসিন্দা। বর্তমানে নেপালে থাকেন তিনি। তার উচ্চতা সাত ফুট ও দীর্ঘদেহী হওয়ায় সহজেই তিনি সকলের নজর কেড়েছেন মেলায়। আর স্বাভাবিকভাবেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছেন। তার একাধিক ছবি ভাইরাল হয়েছে যেখানে তাকে দেখা গিয়েছে হাত জড়ো করে রয়েছেন তিনি। তার পরনে রয়েছে গেরুয়া বসন ও দুই হাতের কব্জিতে রুদ্রাক্ষের মালা পরে রয়েছেন।
তার চওড়া কপালে তিলক আঁকা রয়েছে। সঙ্গে মাথায় রয়েছে চুল যা কাঁধ পর্যন্ত নেমে এসেছে। গায়ের রং ধবধবে সাদা। তবে সবচেয়ে নজরে আসে তার দীর্ঘ সুঠাম দেহ। হাতে ও পায়ে রয়েছে পেশি যার জন্য তাকে সকলেই ‘মাসকুলার বাবা’ বলে ডাকতে শুরু করেছেন। অনেকে তাকে ভগবান পরশুরামের আধুনিক অবতার হিসেবেও দাবি করেছেন।
জানা যাচ্ছে, পেশিবহুল সেই সাধু দিনের বেশিরভাগ সময় শরীরচর্চা করেই কাটান। সবসময় তার মুখে লেগে রয়েছে হাসি। বর্তমানে তিনি নেপালে থাকেন৷ তিনি সোমনাথ গিরি ওরফে কপিল সিংহ-এর শিষ্য। অতীতে তিনি শিক্ষকতা করলেও বর্তমানে সনাতন ধর্মের জন্য নিজেকে নিয়োজিত করেছেন। আর তাই চলে আসেন রাশিয়া ছেড়ে।
আরও পড়ুন,
মহাকুম্ভ মেলায় তরুণীর রূপে মুগ্ধ পুণ্যার্থীরা, তরুণীর সঙ্গে ছবি তোলার আবদার জুড়লেন অনেকেই

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than four years.