ধীরে ধীরে বঙ্গে প্রবেশ করেছে বর্ষা। বর্ষা মানে দীর্ঘদিনের অসহ্য গরম থেকে মুক্তি। মিষ্টি মিষ্টি ঠান্ডা হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি হলো বর্ষাকালের সবসময়ের চিত্র। বর্ষা মানেই চারিদিক স্যাঁতস্যাঁতে। এইসময় চারিদিকে জলে ভরা থাকে। বর্ষার জন্য আবহাওয়া অনেকটা ঠান্ডা হওয়ার ফলে এয়ার কন্ডিশনারের প্রয়োজন হয় না। আবহাওয়া ঠান্ডা হয়ে যাওয়ার ফলে বর্ষার সময় অনেকেই এসির ব্যবহার করেন না। কিন্তু ফেলে রাখা উচিত নয় এই যন্ত্র। দীর্ঘদিন ব্যবহার না করলে খারাপ হয়ে যেতে পারে এসি।
তাই এই বৈদ্যুতিক যন্ত্র সঠিক দেখাশোনার প্রয়োজন। তাই এই বর্ষায় কীভাবে নেবেন এসির যত্ন। তাই প্রতিটি বৈদ্যুতিক যন্ত্র ভালো রাখার প্রথম শর্ত হলো তাকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা। তাই বছরে দু’বার সার্ভিসিং করিয়ে নিন। ব্যবহারের আগে পরিষ্কার করে না নিলে মেশিন ঠান্ডা হতে সময় লাগে। এর পাশাপাশি যদি বাড়তি বিদ্যুৎ-এর দরকার হয় তখন বিদ্যুৎ-এর বিলের বোঝা বাড়ে।
বর্ষার সময় কখনও মেঘ আবার কখনও মেঘ কেটে গিয়ে তাজা রোদ্দুর। কিন্তু বর্ষাকালে বাড়ি থেকে বেরোনোর আগে মনে করে এসির প্লাগ খুলে রাখা উচিত। কারণ কখন বৃষ্টি হবে ও বিদ্যুৎ চমকাবে তা সকলেরই অজানা।
বর্ষার সময় এসি চালালে তা অবশ্যই ড্রাই মোডে করে রাখুন। ঘরের আর্দ্রতা দূর করতে একটি উপায় হলো এসি। দীর্ঘদিন পর এসি চালালে তা যদি ড্রাই মোডে চালানো হয় তবে যান্ত্রিক গোলযোগ দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা কম।
বর্ষাকালে এসির প্রয়োজন পড়ে না। কিন্তু যদি তাও চালানোর দরকার হয় তবে তা ২৫-৩০এর মধ্যে রাখুন। এই আবহাওয়াতেই বর্ষাকালে আরামদায়ক লাগবে।
এসির বাইরের অংশ সপ্তাহে অন্তত একবার মুছে নিন। ধুলোবালি উড়ে এসে এসির গায়ে পড়ে। এর ফলে এসির কোনো যান্ত্রিক গোলযোগ হতে পারে। এরফলে ফিল্টার ও কয়েল নষ্ট হয়ে যায়। ধুলোবালি তাই পরিষ্কার করা জরুরি।

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than four years.