ফরিদাবাদে ৩৬০ কেজি বিস্ফোরক উদ্ধার, ভারতের ভেতরে বড় হামলার ছক? গ্রেফতার ২

হরিয়ানার ফরিদাবাদের একটি অভিযানে প্রায় ৩৬০ কেজি দাহ্য পদার্থ ও বিপুল অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার হওয়ার পর পরিস্থিতি তীব্র আলোচনার কেন্দ্রে। সোমবার এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন ডিজিপি এসপি বৈদ। পাকিস্তানের “ডিপ স্টেট” ভারতের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সন্ত্রাসবাদী হামলার পরিকল্পনা করছে—এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, “অপারেশন সিন্দুর চলছে। পাকিস্তানকে সতর্ক থাকতে হবে। কোনও উসকানির ফল ভয়াবহ হতে পারে।”

ভারতের ভেতরে বড় হামলার ছক?

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রথমে নজরে আসে শ্রীনগরের বাসিন্দা ডঃ আদিলের নাম। শহরের দেওয়ালজুড়ে জইশ-সমর্থিত পোস্টার লাগাতে গিয়েই তাকে পাকড়াও করে পুলিশ। তাঁর জিজ্ঞাসাবাদেই সামনে আসে আরেক ডাক্তার—ডঃ মুজাম্মিল। দু’জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, পাকিস্তানি মদতে ভারতে বড় ধরনের সন্ত্রাসী কার্যকলাপের প্রস্তুতি চলছিল।
এসপি বৈদের দাবি, পাকিস্তানের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই ভারতজুড়ে অস্থিরতা তৈরির জন্য মরিয়া, আর এই দুই ডাক্তার সেই ছকের অংশমাত্র।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকেও নিশানা প্রাক্তন ডিজিপির

এসপি বৈদ আরও বিস্ফোরক দাবি করেন—মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নাকি পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনিরকে ভারতের বিরুদ্ধে উসকানি দিচ্ছে। তাঁর মন্তব্য, “মোল্লা মুনিরের মতো কট্টরপন্থীদের উৎসাহিত করে আমেরিকা ভারত-পাকিস্তানকে বিপজ্জনক দিকে ঠেলে দিচ্ছে।”
তিনি সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, পাকিস্তান কোনও ধরনের হামলার চেষ্টা করলে তার জন্য ভয়ঙ্কর পরিণামের মুখোমুখি হতে হবে।

অস্ত্রের ভাণ্ডার উদ্ধার

জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং হরিয়ানা পুলিশের যৌথ অভিযানে যে সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে তা প্রমাণ করে যে পরিকল্পনা ছিল বিপজ্জনক। ফরিদাবাদের পুলিশ কমিশনার সতেন্দর কুমার গুপ্তা জানান—

৩৬০ কেজি দাহ্য পদার্থ (অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট বলে সন্দেহ)

একটি অ্যাসল্ট রাইফেল, ৩টি ম্যাগাজিন ও ৮৩টি জীবন্ত গুলি

একটি পিস্তল, ৮টি জীবন্ত রাউন্ড

২০টি টাইমার, ব্যাটারি

২৪টি রিমোট, ওয়াকি-টকি সেট

৫ কেজি ভারী ধাতু

কয়েকটি বড় ও ছোট স্যুটকেস, একটি বালতি এবং অন্যান্য বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম

গুপ্তা জানান, “গত পনেরো দিন ধরে যৌথ অভিযান চলছে। ফরিদাবাদের আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাক্তার মুজাম্মিল এবং উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুরের আদিল রাদারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।” উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরক ও সরঞ্জামের পরিমাণ দেখে পুলিশের অনুমান—একটি বড় মাপের হামলার প্রস্তুতি চলছিল।

তদন্ত চলছে

এখনও পর্যন্ত উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরক ও অস্ত্রশস্ত্রের ফরেনসিক পরীক্ষা চলছে। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন ভারতজুড়ে আরও কোথাও একই ধরনের সরঞ্জাম মজুত করা হয়েছিল কি না।
পুলিশ সূত্র বলছে, মুজাম্মিল ও আদিলের পাক-যোগ এবং আইএসআই-এর যোগাযোগের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্তে দেখা হচ্ছে।

এই ঘটনায় ভারতের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নতুন করে সতর্কতা জারি হয়েছে। অভিযানের পরবর্তী অগ্রগতি ও জিজ্ঞাসাবাদের তথ্যের অপেক্ষায় গোটা দেশের নিরাপত্তা মহল।

FAQ

১. প্রশ্ন: ফরিদাবাদে কত কেজি বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে?
উত্তর: প্রায় ৩৬০ কেজি দাহ্য ও বিস্ফোরক পদার্থ উদ্ধার হয়েছে।

২. প্রশ্ন: বিস্ফোরকটি কী ধরনের ছিল?
উত্তর: অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

৩. প্রশ্ন: কারা গ্রেপ্তার হয়েছে?
উত্তর: ডঃ মুজাম্মিল এবং ডঃ আদিল রাদার নামে দুই ডাক্তার।

৪. প্রশ্ন: প্রথম অভিযুক্তকে কীভাবে ধরা হয়?
উত্তর: ডঃ আদিলকে শ্রীনগরে জইশ সমর্থিত পোস্টার লাগাতে গিয়ে পাকড়াও করা হয়।

৫. প্রশ্ন: অভিযানে কোন কোন সংস্থা অংশ নেয়?
উত্তর: জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং হরিয়ানা পুলিশ।

৬. প্রশ্ন: কত দিন ধরে এই অভিযান চলছিল?
উত্তর: প্রায় পনেরো দিন ধরে।

৭. প্রশ্ন: কোন অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে?
উত্তর: একটি অ্যাসল্ট রাইফেল, একটি পিস্তল এবং একাধিক ম্যাগাজিন ও গুলি।

৮. প্রশ্ন: উদ্ধার হওয়া সরঞ্জামের মধ্যে কী ছিল?
উত্তর: টাইমার, ব্যাটারি, রিমোট, ওয়াকি-টকি ও ভারী ধাতু।

৯. প্রশ্ন: প্রাক্তন ডিজিপি এসপি বৈদ কী বলেছেন?
উত্তর: পাকিস্তানের “ডিপ স্টেট” ভারতে বড় হামলার পরিকল্পনা করছে।

১০. প্রশ্ন: “অপারেশন সিন্দুর” বলতে কী বোঝাচ্ছেন বৈদ?
উত্তর: ভারতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার সতর্ক প্রতিক্রিয়া—এমনটাই ইঙ্গিত করেছেন তিনি।

১১. প্রশ্ন: পাকিস্তানের কোন সংস্থার দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে?
উত্তর: আইএসআই এবং সেনাবাহিনীর ডিপ স্টেট।

১২. প্রশ্ন: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে কেন অভিযুক্ত করা হয়েছে?
উত্তর: দাবি করা হয়েছে তারা পাকিস্তানের সেনাপ্রধান মুনিরকে ভারতের বিরুদ্ধে উসকানি দিচ্ছে।

১৩. প্রশ্ন: ধৃত দুই ডাক্তার কোথায় কর্মরত ছিলেন?
উত্তর: ডঃ মুজাম্মিল ফরিদাবাদের আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক ছিলেন।

১৪. প্রশ্ন: উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরক দিয়ে কী করা সম্ভব?
উত্তর: বড় মাপের বিস্ফোরক হামলা বা আইইডি তৈরির সম্ভাবনা ছিল।

১৫. প্রশ্ন: অভিযানের নেতৃত্বে কে ছিলেন?
উত্তর: ফরিদাবাদের সিপি সতেন্দর কুমার গুপ্তা।

১৬. প্রশ্ন: অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কী অভিযোগ ওঠেছে?
উত্তর: সন্ত্রাসী চক্রের জন্য সরঞ্জাম সংগ্রহ ও ষড়যন্ত্র।

১৭. প্রশ্ন: এই ঘটনার সঙ্গে কোন জঙ্গি সংগঠন যুক্ত থাকতে পারে?
উত্তর: জইশ-ই-মোহাম্মদ–এর সমর্থন পাওয়া গেছে বলে পুলিশ সূত্র।

১৮. প্রশ্ন: উদ্ধার হওয়া ৮টি বড় স্যুটকেসে কী ছিল?
উত্তর: প্রধানত দাহ্য পদার্থ ও বিস্ফোরকসম্ভব উপাদান।

১৯. প্রশ্ন: আইএসআই-এর ভূমিকা নিয়ে কী বলা হয়েছে?
উত্তর: ভারতের ভেতরে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ।

২০. প্রশ্ন: মার্কিন উৎসাহের ফলে কী আশঙ্কা তৈরি হয়েছে?
উত্তর: বৈদের মতে, এতে পাকিস্তানের কট্টরপন্থীরা আরও উৎসাহিত হচ্ছে।

২১. প্রশ্ন: এই ঘটনার পর নিরাপত্তা ব্যবস্থা কেমন?
উত্তর: ভারতজুড়ে সতর্কতা বাড়ানো হয়েছে।

২২. প্রশ্ন: তদন্তের বর্তমান অবস্থা কী?
উত্তর: ফরেনসিক পরীক্ষা ও জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

২৩. প্রশ্ন: উদ্ধার হওয়া অস্ত্রগুলো কোথা থেকে এসেছে বলে সন্দেহ?
উত্তর: পাকিস্তানি চ্যানেল বা জঙ্গি নেটওয়ার্ক—তদন্তে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

২৪. প্রশ্ন: এই দুই ডাক্তার কীভাবে যুক্ত হলো?
উত্তর: জঙ্গি মতাদর্শে প্রভাবিত হয়ে পাকিস্তানি নির্দেশে কাজ করছিল—এমন সন্দেহ।

২৫. প্রশ্ন: আরও গ্রেপ্তারের সম্ভাবনা আছে কি?
উত্তর: হ্যাঁ, পুলিশ জানিয়েছে তদন্তে আরও নাম সামনে আসতে পারে।

#BreakingNews #IndiaSecurity #TerrorPlot

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক