জিভে জল আনা খাবার মানেই অস্বাস্থ্যকর নয়: স্বাদের সঙ্গে সুস্থতার পাঁচ ঠিকানা

মুখরোচক খাবার দেখলেই অনেকেই ভয় পান—ওজন বাড়বে না তো? পেট খারাপ হবে না তো? কিন্তু বাস্তবটা একটু আলাদা। সব সুস্বাদু খাবারই যে অস্বাস্থ্যকর, তা নয়। বরং সঠিক উপকরণ, কম তেল ও ভাজা এড়িয়ে তৈরি করলে অনেক পরিচিত চাট ও হালকা খাবার শরীরের পক্ষেও উপকারী হতে পারে। দৈনন্দিন ব্যস্ত জীবনে এমন কিছু খাবার আছে, যেগুলি খেলে জিভের তৃপ্তির পাশাপাশি স্বাস্থ্যও বজায় থাকে।

আলু কাবলি: স্বাদে টক-ঝাল, স্বাস্থ্যে হালকা

আলু কাবলি ছোট-বড় সকলেরই প্রিয়। অরুচির সময় এই খাবার মুহূর্তে রুচি ফেরায়। অনেকে আলু খেতে ভয় পেলেও, আলু কাবলিতে ব্যবহৃত সেদ্ধ আলু ভাজাভুজির তুলনায় অনেক কম ক্যালোরিযুক্ত। সঙ্গে থাকে সেদ্ধ বা ভেজানো ছোলা-মটর, যা প্রোটিন ও ফাইবারের ভালো উৎস। তেঁতুলের টক, ভাজা জিরে গুঁড়ো, কাঁচালঙ্কা ও ধনেপাতা—সব মিলিয়ে এটি হজমেও সহায়ক। শুধু চানাচুর বা নিমকি বাদ দিলেই আলু কাবলি হয়ে উঠবে আরও স্বাস্থ্যকর।

ঘুগনি চাট: প্রোটিন ও ফাইবারের জোগান

ভারতের নানা প্রান্তে জনপ্রিয় ঘুগনি চাট স্বাদে যেমন ভরপুর, তেমনই পুষ্টিগুণেও সমৃদ্ধ। সেদ্ধ মটরে থাকে প্রচুর ফাইবার ও প্রোটিন। অল্প তেলে পেঁয়াজ, লঙ্কা, টম্যাটো ও মশলা কষিয়ে তৈরি ঘুগনিতে তেঁতুল-গুড়ের টক-মিষ্টি চাটনি যোগ করলে স্বাদ দ্বিগুণ হয়। পরিচ্ছন্নভাবে বানানো হলে এই চাট শরীরের জন্য মোটেই ক্ষতিকর নয়।

ঝালমুড়ি: হালকা অথচ তৃপ্তিকর

ঝালমুড়ি বাঙালির চিরকালের প্রিয় স্ট্রিট ফুড। মুড়ি নিজেই হালকা খাবার। তার সঙ্গে বাদাম, সেদ্ধ ছোলা, শসা, পেঁয়াজ, টম্যাটো, অল্প আচার তেল ও ভাজা মশলা মিশলে তৈরি হয় মুখরোচক অথচ হালকা এক পদ। সামান্য নারকেলের টুকরো ঝালমুড়ির স্বাদে বাড়তি মাত্রা যোগ করে। পরিমাণে নিয়ন্ত্রণ রাখলে স্বাস্থ্য সচেতনরাও নিশ্চিন্তে খেতে পারেন।

দই বড়া: পেটের বন্ধু

অল্প খিদে পেলে দই বড়া হতে পারে আদর্শ পছন্দ। বিউলির ডালের বড়ায় থাকে প্রোটিন ও ফাইবার, আর দই পেটের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। ফেটানো টক দইয়ে বড়া ডুবিয়ে তার ওপর চাটনি ও মশলা দিলে তৈরি হয় লোভনীয় অথচ পুষ্টিকর খাবার। তেল কম ব্যবহার করলে এটি আরও স্বাস্থ্যসম্মত হয়।

অঙ্কুরিত ছোলা-মুগের চাট: পুষ্টির পাওয়ারহাউস

অঙ্কুরিত ছোলা ও মুগে থাকে প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিন ও নানা খনিজ। লেবুর রস, পেঁয়াজ, কাঁচালঙ্কা ও সামান্য মশলা মিশিয়ে তৈরি এই চাট ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে এবং দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা অনুভূতি দেয়।

উপসংহার

স্বাদ আর স্বাস্থ্য একে অপরের শত্রু নয়। একটু সচেতনভাবে উপকরণ বাছাই ও রান্নার পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনলেই মুখরোচক খাবারও হয়ে উঠতে পারে শরীরবান্ধব। তাই পরের বার জিভে জল এলে ভয় নয়, বেছে নিন সঠিক খাবার।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক