শরীরচর্চার সবচেয়ে সহজ, সাশ্রয়ী এবং নিরাপদ উপায় হল হাঁটা। নিয়মিত হাঁটলে শুধু ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে না, ভাল থাকে হার্ট, রক্তসঞ্চালন হয় ঠিকঠাক, সক্রিয় থাকে পেশি ও অস্থিসন্ধি। তবে চিকিৎসকেরা বলছেন—সব বয়সে হাঁটার সময় এক রকম হওয়া উচিত নয়। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে শরীরের ক্ষমতা বদলায়, তাই হাঁটার সময় ও গতি নির্ধারণ করতে হবে বয়স ও শারীরিক সক্ষমতা অনুযায়ী।
৫–১২ বছর
এই বয়সে শরীর গঠনের সময়। ঘণ্টা খানেক হাঁটা বা সমমানের শারীরিক নড়াচড়া খুবই উপকারী। তবে একটানা হাঁটতেই হবে এমন নয়। দৌড়ঝাঁপ, খেলাধুলো, সাইকেল চালানো—সবই হাঁটার বিকল্প। এতে হাড় মজবুত হয়, পেশি সবল হয় এবং হার্টের ক্ষমতা বাড়ে।
১৩–১৯ বছর
এই বয়সে প্রতিদিন ৪৫ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা হাঁটা বা খেলাধুলো শরীরকে ফিট রাখে। হাঁটার সঙ্গে দৌড়োনো, আউটডোর গেম থাকলে হার্ট ও ফুসফুসের স্বাস্থ্য আরও ভাল হয়।
২০–৪০ বছর
এই সময় কর্মব্যস্ততার কারণে শরীরচর্চা উপেক্ষিত হয়। অথচ এই বয়সেই হাঁটার অভ্যাস সবচেয়ে জরুরি। দিনে ৩০–৪৫ মিনিট হাঁটলেই উপকার পাওয়া যায়। একটানা না পারলে ভাগে ভাগে হাঁটলেও চলবে। মাঝে মাঝে হাঁটার গতি বাড়ালে ক্যালোরি খরচ বেশি হয়।
৫০ বছর
৫০ পেরোলে হাঁটার সময় একটু কমানো উচিত। ৩০–৪০ মিনিট যথেষ্ট। কারও শারীরিক সক্ষমতা ভাল হলে ৪৫ মিনিটও হাঁটতে পারেন। তবে হাঁটু, গোড়ালির ব্যথা বা হাঁপ ধরলে সঙ্গে সঙ্গে বিরতি নেওয়া জরুরি।
৬০ ঊর্ধ্ব
এই বয়সে শরীর দুর্বল হলেও হাঁটা একেবারে বন্ধ করা উচিত নয়। বরং দৈহিক ভারসাম্য, মস্তিষ্কের কার্যকারিতা ও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে দিনে ২০–৩০ মিনিট হালকা হাঁটা প্রয়োজন। প্রয়োজনে বিরতি নিয়ে হাঁটতে পারেন।
👉 সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা: নিজের শরীরের কথা শুনুন। হাঁটার সময় শ্বাসকষ্ট, ব্যথা বা অতিরিক্ত ক্লান্তি হলে গতি ও সময় কমান। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Hello, I am Biplab Baroi. I have been working in blogging for more than four years. I began my journey in the digital media industry in 2021.
Along with covering daily news and current events, I write articles on tech news, smartphones, and astrology. My work is created strictly for educational purposes use only.