৩০ বছর পর শনির বিশেষ অর্ধ কেন্দ্র যোগ, ভাগ্য খুলছে ৩ রাশির

জ্যোতিষশাস্ত্রে গ্রহের অবস্থান ও পারস্পরিক সম্পর্ক মানুষের জীবনযাত্রায় গভীর প্রভাব ফেলে বলে মনে করা হয়। বিশেষ করে শনি ও মঙ্গলের সম্পর্ক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। শনি প্রতীক ধৈর্য, শৃঙ্খলা ও কর্মফলের, আর মঙ্গল সাহস, শক্তি ও উদ্যমের কারক। ২০২৬ সালে প্রায় ৩০ বছর পর এই দুই গ্রহ ৪৫ ডিগ্রি ব্যবধানে অবস্থান করতে চলেছে, যা জ্যোতিষশাস্ত্রে ‘অর্ধ কেন্দ্র যোগ’ নামে পরিচিত।

সাধারণভাবে শনি-মঙ্গলের যুগল অবস্থানকে কিছুটা কঠোর ও চ্যালেঞ্জিং ধরা হয়। তবে এই বিশেষ কোণ বা অবস্থান কয়েকটি রাশির জন্য আশীর্বাদস্বরূপ হতে পারে। বিশেষত কেরিয়ার, আর্থিক উন্নতি এবং সামাজিক প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে তিনটি রাশির জাতক-জাতিকারা উল্লেখযোগ্য সুফল পেতে পারেন।

মেষ রাশি (Aries)

মেষ রাশির অধিপতি মঙ্গল। ফলে মঙ্গলের শক্তিশালী অবস্থান এই রাশির জাতকদের জন্য বিশেষ সহায়ক হবে। শনি ও মঙ্গলের অর্ধ কেন্দ্র যোগ দীর্ঘদিনের স্থগিত সরকারি কাজ, আইনি জটিলতা বা প্রশাসনিক সমস্যার সমাধান এনে দিতে পারে।

কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি, নতুন দায়িত্ব বা গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের নেতৃত্ব পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যারা জমি-বাড়ি, নির্মাণ বা রিয়েল এস্টেট ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত, তাদের জন্য এই সময় আর্থিকভাবে অত্যন্ত লাভজনক হতে পারে।

সিংহ রাশি (Leo)

সিংহ রাশির জাতকদের জন্য এই যোগ আত্মবিশ্বাস ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে। সূর্যের রাশিতে শনি ও মঙ্গলের প্রভাব কঠোর পরিশ্রমের ফলকে দৃশ্যমান করে তুলবে।

ব্যবসায় বড় চুক্তি বা গুরুত্বপূর্ণ পার্টনারশিপ হতে পারে। কর্মক্ষেত্রে উচ্চপদস্থদের প্রশংসা ও স্বীকৃতি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া ছাত্রছাত্রীদের জন্যও এটি সাফল্যের সময় হতে পারে।

বৃশ্চিক রাশি (Scorpio)

বৃশ্চিক রাশির অধিপতি মঙ্গল হওয়ায় এই যোগ তাদের জন্য ধন-সম্পদ বৃদ্ধির পথ খুলে দিতে পারে। সাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বাড়বে এবং ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগেও সাফল্য মিলতে পারে।

পৈতৃক সম্পত্তি থেকে লাভ, নতুন সম্পদ অর্জন বা বড় আর্থিক প্রাপ্তির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি বিদেশযাত্রা, বহুজাতিক সংস্থায় চাকরি বা আন্তর্জাতিক সুযোগের দ্বারও খুলে যেতে পারে।

পূর্ণ সুফল পেতে কী করবেন?

যাদের জন্মকুণ্ডলীতে শনি বা মঙ্গল দুর্বল অবস্থানে রয়েছে, তারা এই শুভ যোগের সম্পূর্ণ সুবিধা পেতে কিছু প্রতিকার করতে পারেন। প্রতি মঙ্গলবার হনুমান চালিশা পাঠ করা শুভ ফল দিতে পারে। এছাড়া শনিবার অশ্বত্থ গাছের নিচে সর্ষের তেলের প্রদীপ জ্বালানো মানসিক শান্তি ও সুরক্ষার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।

বিশ্বাস করা হয়, এই ধরনের নিয়মিত আচার-অনুশীলন নেতিবাচক প্রভাব কমিয়ে ইতিবাচক শক্তিকে সক্রিয় করে।

বিঃদ্রঃ জ্যোতিষশাস্ত্র বিশ্বাস ও ব্যক্তিগত মতের উপর নির্ভরশীল। জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বাস্তব পরিস্থিতি ও পেশাদার পরামর্শ বিবেচনা করা উচিত।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক