ছাত্র-ছাত্রীদের মানসিক স্বাস্থ্য এবং শারীরিক স্বাস্থ্য উন্নত করার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নিল কলকাতা পৌরসভা। এটি মূলত ‘ন্যাশনাল হেলথ মিশন(পশ্চিমবঙ্গে), রাজ্যের শিক্ষা দপ্তর এবং ‘ইকো ইন্ডিয়া’র যৌথ উদ্যোগ। প্রকল্পের উদ্বোধনে হাজির ছিলেন ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ডা. তপনকুমার মুখোপাধ্যায়, ‘ইকো ইন্ডিয়া’র আধিকারিক ডা. সন্দীপ ভাল্লা, ডেপুটি চিফ মেডিক্যাল হেলথ অফিসার ডা. বিভাকর ভট্টাচার্য।

পুরসভার স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ডা. তপনকুমার মুখোপাধ্যায় এই বিষয়ে বলেন, ‘এটা মূলত স্কুল হেলথ প্রোগ্রাম। ছাত্রছাত্রীদের শরীর এবং মন সুস্থ রাখতেই এই উদ্যোগ।’ এই প্রকল্পের মধ্যে শেখানো হবে পুষ্টিকর খাবার এবং বয়ঃসন্ধিকালে ছাত্রছাত্রীরা যে ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হয় তার মোকাবিলা সম্পর্কে।
আর.জি কর কাণ্ডে যে ভয়ানক পরিস্থিতি দেখা গিয়েছে তারপর এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে মানুষেরা। কলকাতা পৌরসভার তরফ থেকে জানানো হয়েছে এই উদ্যোগ শুরু হয়েছে ডায়মন্ডহারবার পুলিশ জেলায়। ডায়মন্ডহারবার এলাকার বিভিন্ন স্কুল থেকে ১০০ জন শিক্ষক-শিক্ষিকাকে নির্বাচন করা হয়েছে।
সপ্তাহে তাদের দু’দিন করে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এরপর তারা বিভিন্ন স্কুলে গিয়ে ছাত্রছাত্রীদের প্রশিক্ষণ দেবেন। এই পুরো বিষয়টি মূলত ১১ টি মডিউলের হবে। এদিন কলকাতা পৌরসভায় আলোচনা করা হয় কীভাবে বয়ঃসন্ধির সমস্যার সাথে মোকাবিলা করা যায়। এই বিষয়ে উত্তর দিয়েছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. অভয় দে।
তিনি বলেন, ‘বয়ঃসন্ধির একাধিক সমস্যা। এই সময় একজন কিশোরী নারী ও একজন কিশোর পুরুষ হওয়ার দিকে এগোয়। এই সময় উভয়েরই বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ জন্মায়। শরীরে কিছু পরিবর্তন আসে। মেয়েদের ঋতুস্রাব থেকে ছেলেদের যৌনস্বপ্ন নিয়ে ছুৎমার্গ রাখলে হবে না। সরাসরি আলোচনা করতে হবে। এই বিষয়গুলিকে যদি স্বাভাবিক চোখে দেখা যায় তাহলেই সমস্যার সমাধান হবে।’
আরও পড়ুন,
*সৌমিতৃষার প্ৰেমিক হতে চাইলে বিশেষ গুন থাকতে হবে! কী সে বিশেষ গুন? অভিনেত্রী নিজের জানালেন

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than four years.