তাওয়ায় কত বার উল্টাবেন রুটি? নরম-ফোলানো রুটি বানানোর সঠিক কৌশল

রুটি বাঙালির দৈনন্দিন খাদ্যতালিকার অবিচ্ছেদ্য অংশ। সকালে হোক বা রাতে—সহজ, পুষ্টিকর এবং পেটভরানো খাবার হিসেবে রুটির জুড়ি মেলা ভার। কিন্তু সামান্য কিছু ভুলের কারণেই অনেক সময় রুটি শক্ত, শুকনো বা ঠিকমতো সেঁকা হয় না। ফলস্বরূপ, সেই খাবারে আর তৃপ্তি আসে না। অথচ একটু সচেতন হলেই আটা থেকেই বানানো সম্ভব নরম, ফোলানো আর সুস্বাদু রুটি।

রান্নাঘরের এই সাধারণ সমস্যার সমাধান লুকিয়ে আছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম মেনে চলার মধ্যেই। নরম রুটি বানাতে যে পাঁচটি ভুল একেবারেই করা উচিত নয়, তা বিস্তারিত ভাবে জেনে নিন—

১. আটা বাছাইয়ে ভুল
সব ধরনের গমের আটা দিয়ে এক রকম রুটি হয় না। ভালো রুটির জন্য প্রয়োজন আস্ত গমের মিহি আটা, যাতে মাঝারি মাত্রার প্রোটিন থাকে এবং আটা হয় টাটকা। অনেক সময় পুরনো বা দীর্ঘদিন ধরে রাখা আটা আর্দ্রতা হারিয়ে ফেলে। এতে আটা তার স্থিতিস্থাপকতা হারায় এবং রুটি শক্ত হয়ে যায়। এক মাসের বেশি আটা মজুত না করাই ভালো। আটা সব সময় বায়ুনিরোধী পাত্রে, সূর্যালোক ও তাপ থেকে দূরে সংরক্ষণ করা উচিত।

২. আটা মাখার সময় অতিরিক্ত জল
একসঙ্গে বেশি জল দিয়ে আটা মাখা একটি সাধারণ কিন্তু মারাত্মক ভুল। এতে আটা অতিরিক্ত আঠালো হয়ে যায় এবং ঠিকমতো টান তৈরি হয় না। ধাপে ধাপে জল মিশিয়ে আটা মাখতে হবে। খেয়াল রাখবেন, গরম ও ঠান্ডা ঋতু অনুযায়ী আটার জল শোষণের ক্ষমতা আলাদা হয়।

৩. মাখার পর বিশ্রাম না দেওয়া
আটা মাখার পর সঙ্গে সঙ্গে রুটি বানালে তা নরম হয় না। আটা মাখার পর ঢেকে অন্তত ২০–৩০ মিনিট রেখে দেওয়া জরুরি। এতে গ্লুটেন শিথিল হয় এবং আটার মধ্যে আর্দ্রতা সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ে। সময় যত বেশি দেওয়া যায়, রুটির মান তত ভালো হয়।

৪. তাওয়ায় বারবার উল্টোনো
অনেকেই রুটি তাওয়ায় দিয়ে ঘন ঘন উল্টে দেন। এতে রুটি ঠিকমতো তাপ ও বাষ্প পায় না। প্রথমে এক দিক ভালোভাবে সেঁকতে দিন—রুটিতে হালকা বাদামি দাগ পড়া ও ফোলা শুরু হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। তারপর উল্টে দিন। দ্বিতীয় দিকটি অল্প সময়ের জন্য সেঁকে খুন্তি বা কাপড় দিয়ে আলতো চাপ দিলে রুটি সুন্দরভাবে ফুলে উঠবে। প্রয়োজনে শেষে আর একবার উল্টে নেওয়া যেতে পারে।

৫. রুটি ঢেকে না রাখা
তাওয়া থেকে নামানোর পর রুটি খোলা রেখে দিলে দ্রুত শক্ত হয়ে যায়। বাতাসের সংস্পর্শে এলে রুটির তুলতুলে ভাব নষ্ট হয়। তাই রুটি সব সময় ঢেকে রাখতে হবে। পরিষ্কার কাপড়ে মুড়ে বা ক্যাসারোলে রাখলে রুটির ভেতরের বাষ্প বজায় থাকে এবং রুটি দীর্ঘক্ষণ নরম থাকে।

সঠিক আটা, সঠিক মাখনো, ধৈর্য ধরে সেঁকা আর যত্ন করে সংরক্ষণ—এই কয়েকটি নিয়ম মানলেই প্রতিদিনের রুটি হয়ে উঠবে নরম, ফোলানো আর খেতে দারুণ। রান্নাঘরের এই ছোট ছোট কৌশলেই বদলে যেতে পারে রুটির স্বাদ ও অভিজ্ঞতা।

//omg10.com/4/7714306
শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক