খোলা মঞ্চে ঘটে যাওয়া এক মুহূর্ত থেকেই শুরু হয়েছিল বিতর্ক। জনপ্রিয় গায়ক এপি ঢিল্লোঁ প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে অভিনেত্রী তারা সুতারিয়ার গালে চুম্বন করতেই সমাজমাধ্যমে শুরু হয় প্রবল চর্চা। কারণ সেই সময় দর্শকের মধ্যেই উপস্থিত ছিলেন তারার প্রেমিক বীর পাহাড়িয়া। যদিও অনুষ্ঠান শেষে তারা ও বীর একসঙ্গেই বেরিয়েছিলেন, তবুও সেই ঘটনার রেশ কাটেনি সহজে।
ঘটনার কয়েক দিনের মধ্যেই শোনা যায়, নাকি ভেঙে গিয়েছে তারা ও বীরের সম্পর্ক। প্রকাশ্যে কেউই বিচ্ছেদ নিয়ে মুখ না খুললেও, তাঁদের আচরণেই ইঙ্গিত পাচ্ছেন অনুরাগীরা। আগে যাঁদের দেখা যেত সর্বত্র হাতে হাত রেখে চলতে, এখন সমস্ত অনুষ্ঠানেই তারা একাই হাজির হচ্ছেন। বীর পাহাড়িয়াও রয়েছেন সম্পূর্ণ নীরব। তাই জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে—এই সম্পর্ক বুঝি অতীত।
এই টানাপোড়েনের মাঝেই এক সাক্ষাৎকারে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন তারা সুতারিয়া। সম্পর্ক বা বিচ্ছেদ নিয়ে সরাসরি কিছু না বললেও, অভিনেত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন—তাঁর কাছে মানসিক শান্তিই জীবনের সবচেয়ে বড় সাফল্য। তারা বলেন, “আমার মতে, সাফল্যের অর্থ মনের ভিতরের শান্তি। কাছের কয়েকজন মানুষ আমার সঙ্গে থাকবেন এবং বুঝবেন—এটুকুই আমার জীবনের লক্ষ্য।”
এপি ঢিল্লোঁর চুম্বন কাণ্ডের পর তাঁকে নানা কটাক্ষ, ট্রোল এবং সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতা তাঁকে মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত করেছিল কি না, সেই প্রশ্নও উঠেছে বারবার। তবে তারা জানিয়েছেন, উত্তেজনার মুহূর্তে নিজের মন ও স্নায়ুকে কী ভাবে শান্ত রাখতে হয়, তা তিনি শিখে গিয়েছেন। অভিনেত্রীর কথায়, “আমরাই একমাত্র জানি, আমাদের স্নায়ুকে কী ভাবে শান্ত রাখতে হয়।”
সব মিলিয়ে, সম্পর্ক ভাঙার গুঞ্জন, সামাজিক চাপ আর কটাক্ষ—সবকিছুর ঊর্ধ্বে উঠে তারা সুতারিয়া যেন এখন নিজের মানসিক স্বস্তিকেই বেছে নিচ্ছেন। প্রেমের অধ্যায় নিয়ে নীরব থাকলেও, তাঁর কথায় স্পষ্ট—জীবনে শান্ত মনই তাঁর কাছে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than four years.