Recipe: রোজকার ডিমে আনুন নতুন স্বাদ, পুষ্টি বাড়াবে এই ৮ স্বাস্থ্যকর পদ

ডিম এমন একটি খাবার, যা প্রায় প্রতিটি বাঙালি পরিবারের রান্নাঘরেই নিয়মিত জায়গা পায়। প্রোটিনসমৃদ্ধ এই উপাদানটি সহজলভ্য, সাশ্রয়ী এবং নানা ধরনের পদ তৈরির জন্য আদর্শ। তবে প্রতিদিন একই ধরনের সেদ্ধ ডিম, অমলেট বা ডিমের ঝোল খেতে খেতে অনেক সময় একঘেয়েমি চলে আসে। সামান্য কিছু পরিবর্তন এবং কয়েকটি স্বাস্থ্যকর উপকরণ যোগ করলেই ডিম হয়ে উঠতে পারে আরও সুস্বাদু ও পুষ্টিকর।

১. সবজি-সমৃদ্ধ ডিম ভুজিয়া
ডিম ভুজিয়া অনেকেরই পছন্দের খাবার। এতে যদি বিভিন্ন রঙের সবজি যোগ করা যায়, তাহলে পুষ্টিগুণও অনেক বেড়ে যায়। পেঁয়াজ, টম্যাটো, গাজর, ক্যাপসিকাম কিংবা পালং শাকের মতো উপাদান ব্যবহার করলে ডিমের সঙ্গে শরীরে প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও ফাইবারও পৌঁছে যায়। কম তেলে তৈরি এই পদ সকালের নাশতা বা হালকা খাবার হিসেবে দারুণ।

Recipe: রোজকার ডিমে আনুন নতুন স্বাদ, পুষ্টি বাড়াবে এই ৮ স্বাস্থ্যকর পদ
Recipe: রোজকার ডিমে আনুন নতুন স্বাদ, পুষ্টি বাড়াবে এই ৮ স্বাস্থ্যকর পদ

২. সেদ্ধ ডিমের স্যালাড
যাঁরা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান বা হালকা খাবার পছন্দ করেন, তাঁদের জন্য ডিমের স্যালাড একটি চমৎকার বিকল্প। সেদ্ধ ডিমের সঙ্গে শসা, টম্যাটো, লেটুস, ভুট্টা এবং পেঁয়াজ মিশিয়ে তৈরি করা যায় এই পদ। সামান্য লেবুর রস ও গোলমরিচ স্বাদ বাড়িয়ে দেয়, পাশাপাশি খাবারটিকে আরও সতেজ করে তোলে।

৩. ওটস ও ডিমের পুষ্টিকর সংমিশ্রণ
ব্যস্ত সকালে দ্রুত তৈরি করা যায় এমন খাবারের মধ্যে ওটস-ডিম অন্যতম। ওটসের সঙ্গে ডিম, কাঁচালঙ্কা, পেঁয়াজ এবং ধনেপাতা মিশিয়ে তৈরি করা যায় প্যানকেকের মতো একটি পদ। এতে দীর্ঘ সময় পেট ভরা থাকে এবং শরীর প্রয়োজনীয় শক্তি পায়।

৪. পালং শাকের অমলেট
পালং শাক আয়রনের একটি ভালো উৎস। ডিমের সঙ্গে এই শাকের সংমিশ্রণে তৈরি অমলেট পুষ্টির দিক থেকে বেশ সমৃদ্ধ। চাইলে এতে মাশরুম বা সামান্য চিজ যোগ করা যেতে পারে। শিশু থেকে বড়— সকলের জন্যই এটি একটি উপকারী খাবার।

৫. ডিম ও অ্যাভোকাডো টোস্ট
বর্তমানে স্বাস্থ্যসচেতনদের মধ্যে এই পদ বেশ জনপ্রিয়। টোস্ট করা ব্রাউন ব্রেডের উপর অ্যাভোকাডোর মসৃণ স্তর এবং তার উপর পোচ বা সেদ্ধ ডিম পরিবেশন করা হয়। এতে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, প্রোটিন ও ফাইবারের ভালো সমন্বয় পাওয়া যায়।

৬. হালকা ডিমের স্যুপ
শরীর খারাপ থাকলে বা হালকা কিছু খেতে ইচ্ছা করলে ডিমের স্যুপ হতে পারে উপযুক্ত পছন্দ। সবজি বা চিকেন স্টকের সঙ্গে ডিম মিশিয়ে তৈরি এই স্যুপ সহজপাচ্য এবং শরীরে দ্রুত শক্তি জোগাতে সহায়তা করে। আদা ও পেঁয়াজকলি এর স্বাদ আরও বাড়িয়ে তোলে।

৭. বেকড এগ মাফিন
সন্ধ্যার স্ন্যাকস বা অফিসের টিফিন হিসেবে বেকড এগ মাফিন বেশ সুবিধাজনক। ডিমের সঙ্গে ব্রকোলি, ক্যাপসিকাম, ভুট্টা বা পেঁয়াজ মিশিয়ে মাফিন মোল্ডে বেক করা যায়। আগে থেকে তৈরি করে সংরক্ষণও করা সম্ভব, ফলে ব্যস্ত সময়ে সহজেই খাওয়া যায়।

৮. ডিম-দই স্যান্ডউইচ
স্যান্ডউইচপ্রেমীদের জন্য ডিম-দইয়ের মিশ্রণ একটি স্বাস্থ্যকর বিকল্প। সেদ্ধ ডিমের সঙ্গে টক দই, ধনেপাতা এবং গোলমরিচ মিশিয়ে ব্রাউন ব্রেডের মধ্যে ভরে তৈরি করা যায় এই পদ। মেয়োনিজের পরিবর্তে দই ব্যবহার করায় ক্যালরি তুলনামূলক কম থাকে এবং খাবারটি আরও হালকা হয়।

ডিমের পাতে বৈচিত্র্যের গুরুত্ব
ডিমের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে নতুন করে বলার কিছু নেই। কিন্তু একই ধরনের রান্নার পরিবর্তে বিভিন্ন উপায়ে এটি খেলে শুধু স্বাদই বদলায় না, বরং শরীরও পায় নানা ধরনের পুষ্টি। সবজি, শস্য, দই কিংবা স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের সঙ্গে ডিমের সংমিশ্রণ প্রতিদিনের খাবারকে আরও ভারসাম্যপূর্ণ করে তুলতে পারে। তাই রোজকার ডিমের পাতে একটু নতুনত্ব আনতে এই সহজ অথচ পুষ্টিকর রেসিপিগুলি অনায়াসে জায়গা করে নিতে পারে।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক