নিউমেরোলজি বা সংখ্যা জ্যোতিষ শুধুমাত্র সংখ্যার খেলা নয়, বরং মানুষের জীবনপথ, ভাগ্য ও সাফল্যের গভীর ইঙ্গিত বহন করে। জন্মতারিখের মাধ্যমে একজন মানুষের ব্যক্তিত্ব, মানসিক গঠন ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানা যায়। বিশেষ করে কিছু নির্দিষ্ট তারিখে জন্মগ্রহণকারী মানুষদের ওপর সম্পদের দেবতা কুবেরের বিশেষ কৃপা বর্ষিত হয় বলে মনে করা হয়।
সংখ্যাতত্ত্ব অনুসারে, মাসের ৭, ১৬ এবং ২৫ তারিখে জন্মানো জাতকদের মূলাঙ্ক হয় ৭। এই মূলাঙ্কের অধিপতি গ্রহ হল ছায়াগ্রহ কেতু। কেতুর প্রভাবে এই জাতকেরা স্বভাবতই জ্ঞানী, আত্মবিশ্লেষণী ও আধ্যাত্মিক মননের অধিকারী হন। এঁদের বুদ্ধি অত্যন্ত তীক্ষ্ণ এবং চিন্তাভাবনা গভীর হয়।
কুবেরের আশীর্বাদে এই জাতকরা জীবনে অর্থকষ্ট খুব কমই অনুভব করেন। ভাগ্য তাঁদের সহায় হয় ঠিকই, তবে শুধুমাত্র ভাগ্যের জোরে নয়—নিজেদের পরিশ্রম, বুদ্ধিমত্তা ও দৃঢ় সংকল্পের জোরেই তাঁরা সাফল্যের শিখরে পৌঁছান। সমাজে এঁরা সম্মান ও প্রভাব প্রতিপত্তি লাভ করেন।
আরও পড়ুন:২০২৬ সালে সূর্যের রাজত্ব: কোন মূলাঙ্কের জাতকদের খুলবে ভাগ্যের দরজা?
দূরদৃষ্টি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে দক্ষতা
৭ মূলাঙ্কের জাতকদের ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় অত্যন্ত প্রখর। ভবিষ্যতে কী ঘটতে পারে, তা অনেক সময় আগেভাগেই উপলব্ধি করতে পারেন। এই দূরদৃষ্টির জোরেই তাঁরা জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত সঠিক সময়ে নিতে সক্ষম হন। ফলে কর্মক্ষেত্রে তাঁরা অন্যদের থেকে এগিয়ে থাকেন।
আরও পড়ুন:মকর সংক্রান্তিতে মঙ্গলের উচ্চ রাশি গমন: রুচক রাজযোগে বদলাবে ভাগ্য, লাভবান ৫ রাশি
রহস্যময় ব্যক্তিত্ব
এই জাতকদের চরিত্রে এক ধরনের রহস্যময়তা লক্ষ্য করা যায়। নিজেদের মনের কথা সহজে প্রকাশ করেন না। আবেগে ভেসে না গিয়ে বাস্তবতাকে গুরুত্ব দেন। মানসিকভাবে অত্যন্ত দৃঢ় হওয়ায় কোনও কঠিন পরিস্থিতিতেও তাঁরা ভেঙে পড়েন না। অন্যের করুণা বা সহানুভূতির উপর নির্ভর না করে নিজের শক্তিতেই পথ চলেন।
আরও পড়ুন:সিংহ থেকে বৃশ্চিক—কার ভাগ্যে কী রয়েছে? | ২ জানুয়ারি ২০২৬
সব মিলিয়ে বলা যায়, ৭, ১৬ ও ২৫ তারিখে জন্মানো মানুষরা পরিশ্রম, বুদ্ধি ও কুবেরের কৃপায় জীবনে দারুণ সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম হন। সাধারণ জীবন থেকে অসাধারণ হয়ে ওঠার ক্ষমতা তাঁদের মধ্যেই নিহিত।