সংখ্যাতত্ত্ব অনুযায়ী মানুষের জীবন শুধু পরিশ্রম বা ভাগ্যের উপর নির্ভর করে না, বরং জন্মের সঙ্গে যুক্ত সংখ্যার মধ্যেই লুকিয়ে থাকে ভবিষ্যতের ইঙ্গিত। প্রেম, কর্মজীবন, অর্থভাগ্য কিংবা মানসিক স্থিরতা—সব কিছুর সঙ্গেই নাকি গভীর যোগ রয়েছে জন্মসংখ্যার। আর সেই জন্মসংখ্যা অনুযায়ী যদি মোবাইল, ল্যাপটপ বা ডেস্কটপের ওয়ালপেপার বেছে নেওয়া যায়, তাহলে জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে বলেই মত সংখ্যাতত্ত্ববিদদের।
তাহলে আপনার জন্মসংখ্যা অনুযায়ী কোন ওয়ালপেপার সবচেয়ে শুভ, চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক—
জন্মসংখ্যা ১:
যে কোনও মাসের ১, ১০, ১৯ ও ২৮ তারিখে জন্ম হলে জন্মসংখ্যা ১। এই সংখ্যার অধিপতি সূর্য। তাই সূর্যোদয়ের ছবি ওয়ালপেপারে রাখলে আত্মবিশ্বাস বাড়ে, নেতৃত্বগুণ বিকশিত হয় এবং কর্মক্ষেত্রে সাফল্য আসে।
জন্মসংখ্যা ২:
২, ১১, ২০ ও ২৯ তারিখে জন্ম হলে জন্মসংখ্যা ২। চন্দ্রের প্রভাবে এই জাতকরা আবেগপ্রবণ হন। ওয়ালপেপারে শিবের ছবি রাখলে মানসিক শান্তি আসে এবং জীবনের অস্থিরতা কমে।
জন্মসংখ্যা ৩:
৩, ১২, ২১ ও ৩০ তারিখে জন্ম মানেই জন্মসংখ্যা ৩। বৃহস্পতির প্রভাবে জ্ঞান ও সৌভাগ্য বৃদ্ধি পায়। হলুদ রঙের ফুলের ছবি ওয়ালপেপারে রাখলে ভাগ্য সহায় হয়।
জন্মসংখ্যা ৪:
৪, ১৩, ২২ ও ৩১ তারিখে জন্ম হলে জন্মসংখ্যা ৪। এই সংখ্যার জাতকদের জন্য ময়ূরের পালক অত্যন্ত শুভ। এটি সৃজনশীলতা ও স্থায়িত্ব বাড়ায়।
জন্মসংখ্যা ৫:
৫, ১৪ ও ২৩ তারিখে জন্ম হলে জন্মসংখ্যা ৫। বুধের প্রভাবে যোগাযোগ দক্ষতা বাড়ে। টিয়া পাখির ছবি ওয়ালপেপারে রাখলে জীবনে গতি আসে।
জন্মসংখ্যা ৬:
৬, ১৫ ও ২৪ তারিখে জন্ম হলে জন্মসংখ্যা ৬। শুক্রের প্রভাবে প্রেম ও সৌন্দর্যের যোগ থাকে। শ্রীকৃষ্ণের ছবি ওয়ালপেপারে রাখলে জীবন সুখময় হয়।
জন্মসংখ্যা ৭:
৭, ১৬ ও ২৫ তারিখে জন্ম হলে জন্মসংখ্যা ৭। কেতুর প্রভাবে আধ্যাত্মিকতা প্রবল। ওয়ালপেপারে ওঁ (ॐ) চিহ্ন রাখলে নেতিবাচক শক্তি দূর হয়।
জন্মসংখ্যা ৮:
৮, ১৭ ও ২৬ তারিখে জন্ম হলে জন্মসংখ্যা ৮। শনির প্রভাবে সংগ্রাম বেশি। বিলাসবহুল গাড়ির ছবি ওয়ালপেপারে রাখলে উন্নতির পথ খুলে যায়।
আরও পড়ুন:মেয়েদের মুখ ও শরীরের তিল: সৌন্দর্যের আড়ালে লুকোনো ভাগ্য, গুণ ও ভবিষ্যতের ইঙ্গিত
জন্মসংখ্যা ৯:
৯, ১৮ ও ২৭ তারিখে জন্ম হলে জন্মসংখ্যা ৯। মঙ্গলের প্রভাবে শক্তি ও সাহস বাড়ে। হনুমানজির ছবি ওয়ালপেপারে রাখলে মানসিক দৃঢ়তা আসে।
জন্মসংখ্যা কীভাবে নির্ধারণ করবেন?
জন্মতারিখের অঙ্কগুলো যোগ করে ১ থেকে ৯-এর মধ্যে আনলেই পাওয়া যায় জন্মসংখ্যা। যেমন—জন্ম ১৯ হলে ১+৯=১০, আবার ১+০=১। অর্থাৎ জন্মসংখ্যা ১।
একটু বিশ্বাস আর সঠিক ওয়ালপেপার—এই দুই মিলেই বদলে যেতে পারে জীবনের গতিপথ।