Bharat Bandh 12 Feb: ১২ ফেব্রুয়ারি ভারত বন্ধ: স্কুল-কলেজ বন্ধের সম্ভাবনা, কী খোলা কী বন্ধ?

নতুন শ্রম আইন এবং প্রস্তাবিত ভারত–আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তির বিরোধিতায় ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, বৃহস্পতিবার দেশজুড়ে ভারত বন্ধের ডাক দিয়েছে কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন ও কৃষক সংগঠনগুলি। যৌথ মঞ্চের আওতায় থাকা ১০টি কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন—INTUC, AITUC, HMS, CITU, AIUTUC, TUCC, SEWA, AICCTU, LPF এবং UTUC—এই ধর্মঘটের আহ্বান জানিয়েছে।

এই দেশব্যাপী প্রতিবাদের জেরে রাস্তাঘাটে অবরোধ, যান চলাচলে বিঘ্ন এবং দৈনন্দিন কাজে ব্যাঘাত ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে বিভিন্ন রাজ্যে স্কুল ও কলেজ বন্ধ থাকার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনও সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি হয়নি।

কী কী পরিষেবা বন্ধ থাকতে পারে?

ধর্মঘটের কারণে একাধিক ক্ষেত্রে পরিষেবা আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে ব্যাহত হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। সম্ভাব্য প্রভাব পড়তে পারে—

সরকারি খাতের ব্যাঙ্ক (সীমিত পরিষেবা চলতে পারে)
সরকারি দপ্তর ও পাবলিক সেক্টর সংস্থা (কম উপস্থিতি)
বাস, ট্যাক্সি-সহ গণপরিবহণ (কম ফ্রিকোয়েন্সি)
কারখানা ও শিল্প ইউনিট (কাজ স্থগিতের সম্ভাবনা)
স্কুল ও কলেজ (বন্ধ থাকার সম্ভাবনা)
বাজার ও স্থানীয় দোকানপাট

কোন পরিষেবা চালু থাকবে?

অপরদিকে কিছু জরুরি পরিষেবা সচল রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেগুলি হল—
হাসপাতাল ও জরুরি চিকিৎসা পরিষেবা
অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা
ওষুধের দোকান ও ফার্মেসি
অগ্নিনির্বাপক ও উদ্ধার পরিষেবা
দুধ সরবরাহ
সংবাদপত্র বিতরণ
বিমানবন্দর ও বিমান পরিষেবা
এটিএম পরিষেবা

কেন এই প্রতিবাদ?

ট্রেড ইউনিয়নগুলির অভিযোগ, গত বছর ২৯টি শ্রম আইন বাতিল করে যে চারটি নতুন শ্রম কোড চালু করা হয়েছে, তা শ্রমিকদের অধিকার খর্ব করবে। তাদের মতে, নতুন আইন চাকরির নিরাপত্তা কমাবে এবং নিয়োগ ও ছাঁটাই প্রক্রিয়া সহজ করে দেবে, ফলে শ্রমিকদের অবস্থান দুর্বল হবে।

এছাড়াও বেসরকারিকরণ, মজুরি সংক্রান্ত সমস্যা এবং সামাজিক সুরক্ষার অভাব নিয়েও আপত্তি তুলেছে সংগঠনগুলি।

তাদের আরও দাবি—

চারটি শ্রম কোড ও সংশ্লিষ্ট নিয়ম বাতিল করতে হবে

ড্রাফট সিড বিল প্রত্যাহার করতে হবে

ইলেকট্রিসিটি অ্যামেন্ডমেন্ট বিল বাতিল করতে হবে

SHANTI আইন প্রত্যাহার করতে হবে

MGNREGA পুনরুজ্জীবিত করতে হবে

‘Viksit Bharat – Guarantee for Rozgar and Ajeevika Mission (Gramin) Act, 2025’ বাতিল করতে হবে

স্কুল-কলেজ নিয়ে কী সিদ্ধান্ত?

বর্তমানে স্কুল ও কলেজ বন্ধ রাখার বিষয়ে চূড়ান্ত সরকারি নির্দেশ জারি হয়নি। তবে বিভিন্ন রাজ্যে স্থানীয় পরিস্থিতি ও নিরাপত্তা বিবেচনা করে প্রশাসন আলাদা সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নোটিস বা সরকারি নির্দেশের দিকে নজর রাখার জন্য।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক