আত্মকেন্দ্রিকতায় শীর্ষে যে চার রাশি: স্বার্থের পথে অন্যের কষ্টও তুচ্ছ

প্রত্যেক মানুষের ব্যক্তিত্বে যেমন ইতিবাচক দিক থাকে, তেমনই কিছু নেতিবাচক বৈশিষ্ট্যও লুকিয়ে থাকে। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, এই ভাল–মন্দ গুণের অনেকটাই নির্ভর করে ব্যক্তির রাশির উপর। যদিও মানুষের সমস্ত খারাপ গুণের জন্য শুধুমাত্র রাশিকে দায়ী করা যায় না, তবে কিছু কিছু প্রবণতা নির্দিষ্ট রাশির জাতক-জাতিকাদের মধ্যে বেশি মাত্রায় লক্ষ্য করা যায়।

জ্যোতিষ বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, রাশিচক্রের চারটি রাশি আত্মকেন্দ্রিক ও স্বার্থপর হিসেবে পরিচিত। এঁরা নিজেদের লাভ, সুবিধা বা স্বাধীনতাকে সবার উপরে রাখেন। সেই পথে চলতে গিয়ে অন্যের কষ্ট হলেও তাতে বিশেষ বিচলিত হন না। দেখে নেওয়া যাক, কোন চার রাশি এই তালিকায় রয়েছে।

মেষ রাশির জাতক-জাতিকারা সর্বদা সেরা হওয়ার তাগিদে চালিত হন। প্রতিযোগিতার মানসিকতা তাঁদের এতটাই তীব্র যে, নিজের উন্নতির পথে কাছের মানুষ কষ্ট পেলেও তাঁরা পিছপা হন না। নিজের সুবিধা ও সাফল্যই তাঁদের কাছে প্রধান। অন্য কেউ সমস্যায় পড়লেও, তা যদি তাঁদের লাভের পথে বাধা না হয়, তবে বিশেষ গুরুত্ব দেন না মেষ রাশির ব্যক্তিরা। আত্মকেন্দ্রিকতা ও আত্মপ্রেম এঁদের স্বভাবের বড় অংশ।

মিথুন রাশির অধিপতি বুধ, যার প্রভাবে এই রাশির জাতক-জাতিকাদের মধ্যে দ্বৈত সত্তা ও মানসিক দোলাচল দেখা যায়। কখন তাঁরা আবেগপ্রবণ, আবার কখন সম্পূর্ণ নির্লিপ্ত—তা বোঝা কঠিন। নিজের স্বার্থসিদ্ধির ক্ষেত্রে এঁরা প্রায়ই অন্যের অনুভূতিকে উপেক্ষা করেন। সম্পর্ক যতই কাছের হোক না কেন, প্রয়োজন হলে নিজের সুবিধাকেই অগ্রাধিকার দেন মিথুন রাশির মানুষ।

সিংহ রাশির জাতক-জাতিকারা আত্মগরিমা ও অহংকারে ভরপুর বলে মনে করা হয়। যাঁরা তাঁদের প্রশংসা করেন বা তোষামোদে ব্যস্ত থাকেন, তাঁদের প্রতিই সিংহ রাশির ব্যক্তিরা সদয় হন। কিন্তু যাঁরা গুরুত্ব দেন না, তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করতেও তাঁরা দ্বিধা করেন না। সেরা হওয়ার প্রবল আকাঙ্ক্ষা থেকে অন্যের ক্ষতি হলেও তা করতে তাঁদের হাত কাঁপে না। নিজের সম্মান ও সুবিধাই তাঁদের কাছে সর্বাগ্রে।

কুম্ভ রাশির জাতক-জাতিকারা স্বাধীনচেতা ও নিজের জগতে ডুবে থাকতে ভালোবাসেন। অন্য কেউ তাঁদের ওপর কর্তৃত্ব ফলানোর চেষ্টা করলে তা একেবারেই সহ্য করতে পারেন না। নিজের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য প্রয়োজনে অন্যের মনে কষ্ট দিতেও পিছপা হন না। কুম্ভ রাশির মানুষদের কাছে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা সবকিছুর ঊর্ধ্বে, সম্পর্ক বা আবেগের চেয়েও তা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

সব মিলিয়ে বলা যায়, এই চার রাশির জাতক-জাতিকারা নিজেদের স্বার্থ, সাফল্য বা স্বাধীনতাকে অগ্রাধিকার দেন। তবে মনে রাখতে হবে, রাশি কেবল একটি প্রবণতা নির্দেশ করে—মানুষের চরিত্র গড়ে ওঠে তাঁর শিক্ষা, পরিবেশ ও ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের মাধ্যমেই।

(Disclaimer: এখানে দেওয়া তথ্য জ্যোতিষশাস্ত্রের সাধারণ বিশ্বাস ও তথ্যের উপর ভিত্তি করে লেখা। সংবাদ ভবন এটি নিশ্চিৎ করে না।)

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক