হিন্দু ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী হোলির আগে টানা আট দিন চলে হোলাষ্টক। প্রতি বছর ফাল্গুন মাসের শুক্লা অষ্টমী তিথি থেকে এই সময়কাল শুরু হয়। চলতি বছর ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে হোলাষ্টক শুরু হচ্ছে। জ্যোতিষ মতে, এই সময় বিভিন্ন গ্রহের অশুভ অবস্থানের কারণে নেতিবাচক শক্তির প্রভাব বৃদ্ধি পায়।
প্রচলিত ধারণা, হোলিকা দহনের আগুনে এই নেতিবাচক শক্তি দগ্ধ হয়ে যায়। তবে তার আগে এই আট দিনকে সতর্কতার সময় হিসেবেই ধরা হয়। বিশেষ করে পাঁচটি রাশির জাতকদের জন্য এই সময় বড় চ্যালেঞ্জ নিয়ে আসতে পারে।
মেষ রাশি

মেষ রাশির অধিপতি মঙ্গল। ২৩ ফেব্রুয়ারি মঙ্গল শনির রাশি কুম্ভে প্রবেশ করেছে। এর ফলে সূর্য ও রাহুর সঙ্গে মঙ্গলের সংযোগ তৈরি হয়েছে, যা অশুভ ফল দিতে পারে।
এই সময়ে আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। বিনিয়োগে সাবধানতা জরুরি। মানসিক দ্বন্দ্ব বাড়তে পারে এবং সিদ্ধান্ত নিতে সমস্যা হতে পারে। পাশাপাশি স্বাস্থ্যের দিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন।
কর্কট রাশি

কর্কট রাশির জাতকদের জন্য হোলাষ্টকের সময় স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সমস্যা দেখা দিতে পারে। শরীরের ছোটখাটো অসুস্থতাকে অবহেলা করা ঠিক হবে না।
এই সময়ে বড় কোনও সিদ্ধান্ত না নেওয়াই ভালো। কর্মক্ষেত্রে চাপ বাড়তে পারে এবং সঙ্গীর সঙ্গে মতবিরোধ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ধৈর্য ধরে পরিস্থিতি সামলাতে হবে।
সিংহ রাশি

সিংহ রাশির জাতকদের ঝুঁকিপূর্ণ কাজ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কর্মক্ষেত্রে অবহেলা করলে বড় ক্ষতি হতে পারে। ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সবদিক বিবেচনা করা জরুরি।
হঠাৎ খরচ বেড়ে যেতে পারে। কাউকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করলে প্রতারণার শিকার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বৃশ্চিক রাশি

বৃশ্চিক রাশির জাতকদের জন্য এই সময় ধৈর্য ও সতর্কতা সবচেয়ে বড় অস্ত্র। আর্থিক টানাপোড়েন দেখা দিতে পারে।
ব্যক্তিগত সম্পর্কে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হতে পারে। সঙ্গীর সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করলে সমস্যার সমাধান সম্ভব। কর্মক্ষেত্রেও বাধা আসতে পারে।
কুম্ভ রাশি

এই সময়ে সূর্য, মঙ্গল ও রাহুর অবস্থান কুম্ভ রাশিতে থাকায় কুম্ভ জাতকদের জন্য সময়টি স্পর্শকাতর। দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে, তাই চলাফেরায় সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
পাওনা অর্থ আটকে যেতে পারে এবং নতুন বিনিয়োগ না করাই শ্রেয়। শারীরিক অসুস্থতার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
আরও পড়ুন:অর্থকষ্ট নিত্য সঙ্গী? শিব আরাধনায় কাটুক অশান্তি ও দুর্ভাগ্য
কী করবেন এই সময়ে?
হোলাষ্টকের সময় অযথা ঝুঁকি না নেওয়া, আর্থিক বিষয়ে সচেতন থাকা এবং স্বাস্থ্য সম্পর্কে যত্নশীল হওয়াই শ্রেয়। ধৈর্য, সংযম ও ইতিবাচক মনোভাব বজায় রাখলে অশুভ প্রভাব অনেকটাই কমানো সম্ভব।

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than four years.