অনীক দত্তের প্রয়াণে স্তব্ধ টালিগঞ্জ, জীবনানন্দের কবিতায় স্মরণ জয়া আহসানের

বাংলা চলচ্চিত্র জগতে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। প্রখ্যাত পরিচালক অনীক দত্তের আকস্মিক মৃত্যুসংবাদ প্রকাশ্যে আসতেই স্তব্ধ হয়ে যায় টালিগঞ্জের স্টুডিওপাড়া। মাত্র কয়েকদিন আগেই, ২২ মে, নিজের জন্মদিন পালন করেছিলেন তিনি। সেই আনন্দের আবহ কাটতে না কাটতেই তাঁর অকালপ্রয়াণের খবর মেনে নিতে পারছেন না সহকর্মী, বন্ধু এবং অনুরাগীরা।

চলচ্চিত্রমহলে অনীক দত্ত ছিলেন এক ব্যতিক্রমী ব্যক্তিত্ব। আপসহীন মনোভাব, তীক্ষ্ণ রসবোধ এবং স্পষ্টভাষী চরিত্রের জন্য তিনি বরাবরই আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছিলেন। সহকর্মীদের অনেকেই মনে করছেন, এত প্রাণবন্ত ও দৃঢ়চেতা একজন মানুষের এমন পরিণতি যেন অবিশ্বাস্য।

পরিচালকের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন দুই বাংলার বহু শিল্পী। বাংলাদেশ থেকে অভিনেত্রী জয়া আহসানও গভীর আবেগে স্মরণ করেছেন অনীক দত্তকে। জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত পংক্তি— ‘শোনা গেল লাশকাটা ঘরে…’ ধার করে তিনি সোশ্যাল মাধ্যমে নিজের শোকবার্তা জানান। জয়ার কথায়, অনীকের চলে যাওয়া শুধু বাংলা সিনেমার নয়, ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতেরও এক অপূরণীয় ক্ষতি।

অভিনেত্রী আরও লেখেন, একজন সৃজনশীল, স্বাধীনচেতা মানুষের বিদায়ে যেন এক অন্তহীন শূন্যতা তৈরি হল। তাঁর মতে, অনীক দত্তের মতো নির্মাতারা তাঁদের কাজ, চিন্তা ও ব্যক্তিত্বের মাধ্যমে দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

বাংলা সিনেমায় অনীক দত্তের অবদান বরাবরই বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। সমাজ, রাজনীতি এবং মানুষের মনস্তত্ত্বকে নিজের স্বতন্ত্র ভাষায় তুলে ধরতে তিনি সিদ্ধহস্ত ছিলেন। তাঁর প্রয়াণে চলচ্চিত্র জগতে যে শূন্যতা তৈরি হল, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয় বলেই মনে করছেন শিল্পীমহল।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক