দুই সন্তানের মা, বয়স ৪৫। বলিউডে নতুন প্রজন্মের নায়িকারা নিয়মিত কাজ করলেও করিনা কপূর খান আজও নিজের ফিটনেস, সৌন্দর্য ও আত্মবিশ্বাস দিয়ে আলাদা করে নজর কাড়েন। অভিনয়ের পাশাপাশি সুস্থ জীবনযাপন কীভাবে সম্ভব, তার জীবন্ত উদাহরণ তিনি নিজেই। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থাতেও শরীরচর্চা থেকে দূরে থাকেননি করিনা। বরং যতটা সম্ভব সক্রিয় থেকেছেন, যা বহু মহিলার কাছেই অনুপ্রেরণা।
সম্প্রতি করিনার ফিটনেস ট্রেনার মহেশ ঘনেকর একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন, যেখানে নায়িকার বর্তমান শরীরচর্চার রুটিনের ঝলক দেখা যায়। ভিডিওটির সঙ্গে মহেশ লিখেছেন, ফিটনেস মানে শুধু ওজন কমানো নয়। শরীরের শক্তি, সহনশীলতা ও দীর্ঘমেয়াদি সুস্থতাই আসল লক্ষ্য। করিনা ঠিক সেই দর্শনই মেনে চলেন।
ভিডিয়োটি বিভিন্ন মুহূর্তের একটি মন্তাজ, যেখানে করিনাকে দেখা যাচ্ছে একাধিক কার্যকর কিন্তু ভারসাম্যপূর্ণ ব্যায়াম করতে। প্রবল বা ঝুঁকিপূর্ণ শরীরচর্চার বদলে তিনি বেছে নিয়েছেন নিয়মিত ও নিয়ন্ত্রিত ব্যায়াম, যা শরীরকে সক্রিয় রাখে এবং পেশির শক্তি বাড়ায়।
ভিডিয়ো থেকে জানা যাচ্ছে, বর্তমানে করিনা যে ৫টি ব্যায়াম করছেন, সেগুলি হল—
প্রথমত, ১০ কেজি ওজন নিয়ে ডেডলিফ্ট। বারবেল হাতে তুলে এই ব্যায়াম করার মাধ্যমে পায়ের পেশি, কোমর ও পিঠের শক্তি বৃদ্ধি পায়।
দ্বিতীয়ত, অ্যারোবিক স্টেপারে পায়ের ব্যায়াম। এতে হার্টের কার্যক্ষমতা বাড়ে এবং লোয়ার বডি শক্তিশালী হয়।
তৃতীয়ত, বারবেল ধরা ও ছাড়ার মাধ্যমে হাতের পেশির জোর বাড়ানোর ব্যায়াম। এটি আর্ম ও শোল্ডারের জন্য উপকারী।
চতুর্থত, দুই হাতে মেডিসিন বল ধরে পায়ের নীচ দিয়ে ঘুরিয়ে আনার ব্যায়াম। এই ব্যায়ামে কোর পেশি শক্ত হয় এবং শরীরের সমন্বয় ক্ষমতা বাড়ে।
পঞ্চমত, দুই হাতে ডাম্বেল নিয়ে এক হাত বিপরীত পায়ের দিকে নামানোর ব্যায়াম। এতে পেশির নমনীয়তা ও ভারসাম্য দু’টিই বৃদ্ধি পায়।
করিনার ফিটনেস রুটিন প্রমাণ করে দেয়, বয়স বা ব্যস্ত জীবন কখনও সুস্থ থাকার পথে বাধা হতে পারে না। নিয়ম, সচেতনতা এবং নিজের শরীরকে বোঝাই দীর্ঘদিন সুস্থ থাকার আসল চাবিকাঠি।

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than four years.