পূর্বজন্মের পাপের বোঝা? নিয়তির খেলা ভাঙতে শাস্ত্রসম্মত ৫ সহজ কর্মশুদ্ধির উপায়

ভারতীয় দর্শনে মানুষের জীবন শুধুমাত্র বর্তমান জন্মের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। জন্মান্তর ও কর্মফল তত্ত্ব অনুসারে, প্রতিটি আত্মা পূর্বজন্মের কর্মের ছাপ বহন করে এই জীবনে প্রবেশ করে। সেই কর্ম যদি শুভ হয়, তবে জীবনে আসে শান্তি, সাফল্য ও সমৃদ্ধি। কিন্তু কর্ম যদি অশুভ হয়, তবে অকারণ দুঃখ, ব্যর্থতা, আর্থিক সমস্যা বা মানসিক অস্থিরতা বারবার ফিরে আসে।

অনেক সময় দেখা যায়, বর্তমান জীবনে কোনও বড় ভুল না করেও মানুষ কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে যান। শাস্ত্র ব্যাখ্যা করে, এটি পূর্বজন্মের অসম্পূর্ণ কর্মফলের ফল। তবে নিয়তি চূড়ান্ত নয়—মানুষের বর্তমান কর্মই পারে তার গতিপথ বদলাতে।

১. আত্মশুদ্ধির অভ্যাস
প্রতিদিন স্নানের পর পরিচ্ছন্ন মনে ঈশ্বরের নাম জপ আত্মাকে ধীরে ধীরে শুদ্ধ করে। মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র বা বিষ্ণু মন্ত্র নিয়মিত পাঠ করলে ভয়, দুশ্চিন্তা ও অজানা বাধা কমে বলে শাস্ত্রে উল্লেখ রয়েছে।

২. সৎ ও মানবিক কর্ম
পূর্বজন্মের পাপ ক্ষয় হয় বর্তমানের পুণ্যে। অসহায়ের পাশে দাঁড়ানো, পশুপাখির প্রতি দয়া, কারও ক্ষতি না করা—এই ছোট কাজগুলিই ইতিবাচক কর্ম তৈরি করে।

৩. শুভ তিথিতে সংযম
একাদশী, অমাবস্যা ও পূর্ণিমায় উপবাস বা নিরামিষ আহার শরীর ও মনকে সংযত রাখে। এই দিনগুলিতে নেশাজাতীয় দ্রব্য বর্জন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

৪. ভুল স্বীকার ও সংশোধন
নিজের ভুল মেনে নেওয়াই আত্মশুদ্ধির অন্যতম ধাপ। দায় এড়ানোর প্রবণতা কর্মফলের ভার বাড়ায়, আর সংশোধনের মানসিকতা তা লাঘব করে।

আরও পড়ুন:পরিকল্পনা ছাড়া এক পা নয়! পেশা থেকে সম্পর্ক—এই ৪ রাশির দূরদর্শী ব্যক্তিত্ব

৫. মানসিক শান্তি ও ধ্যান
রাগ, লোভ, অহংকার ও ঈর্ষা—এই চারটি অনুভূতি সবচেয়ে বেশি নেতিবাচক কর্ম সৃষ্টি করে। ধ্যান ও প্রার্থনার মাধ্যমে মন শান্ত রাখতে পারলে নিয়তির কঠোরতাও ধীরে ধীরে নরম হয়।

শাস্ত্র স্পষ্টভাবে বলে—মানুষ অসহায় নয়। বর্তমান জীবনই সেই সুযোগ, যেখানে সচেতন কর্মের মাধ্যমে ভবিষ্যৎকে নতুনভাবে গড়ে তোলা সম্ভব।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক