চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ের আনন্দে ভাসছিল ভারতীয় শিবির। ফাইনালের রাতে সাজঘরের পরিবেশ ছিল উৎসবমুখর, উচ্ছ্বাস আর হাসি-ঠাট্টায় ভরা। সেই আনন্দঘন মুহূর্তেই ঘটে যায় এক মজার ঘটনা, যা এতদিন অজানাই ছিল ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই অভিজ্ঞতার কথা খোলাখুলি জানালেন তরুণ জোরে বোলার হর্ষিত রানা।
হর্ষিত জানান, তিনি যদিও পুরো টুর্নামেন্টে একটি ম্যাচেও মাঠে নামেননি, তবু দলের সঙ্গে থেকেই ট্রফি জয়ের আনন্দ ভাগ করে নিয়েছিলেন। ফাইনালের রাতে যখন তিনি সাজঘরে ঢোকেন, তখনই চোখে পড়ে যায় এক চেনা মুখ—বলিউড অভিনেত্রী ও বিরাট কোহলির স্ত্রী অনুষ্কা শর্মা। সামনে থেকে প্রথমবার অনুষ্কাকে দেখে স্বাভাবিক ভাবেই তিনি সম্বোধন করেন, “ম্যাম” বলে।
আর তাতেই সুযোগ! সতীর্থদের সঙ্গে মজা করার জন্য যাঁর জুড়ি নেই, সেই বিরাট কোহলি সঙ্গে সঙ্গে হর্ষিতকে উদ্দেশ্য করে বলেন,
“এই, তুই ওকে ম্যাম বলছিস কেন? ভাবী বল!”
কোহলির এমন মন্তব্যে একেবারে অপ্রস্তুত হয়ে পড়েন হর্ষিত। খানিকটা ইতস্তত করে তিনি ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করেন—প্রথমবার দেখা বলেই সম্মান জানাতে ‘ম্যাম’ বলেছেন। কিন্তু কোহলি সেখানেই থামেননি। অনুষ্কার দিকে তাকিয়ে হাসতে হাসতে তিনি বলেন,
“আসলে হর্ষিত এমনই। একটু আগেই আমার মাথায় শ্যাম্পেন ঢেলে দিয়েছে। তাই এখন তোমাকে ম্যাম বলছে!”
সাজঘর তখন হেসে উঠেছে। সেই মুহূর্তে হর্ষিত বুঝে যান, কোহলির সঙ্গে এমন মজার ঘটনা হওয়াটা একেবারেই স্বাভাবিক। সাক্ষাৎকারে সঞ্চালক যখন জানতে চান, বিরাট কি সব সময়ই এমন মজার মানুষ, তখন হর্ষিতের উত্তর ছিল একদম স্পষ্ট—
“কোহলি মজা করতে প্রচণ্ড ভালোবাসে। ওর সঙ্গে থাকলে সাজঘরের পরিবেশ সব সময়ই হালকা আর আনন্দে ভরা থাকে।”
এই ছোট্ট ঘটনাই আবারও প্রমাণ করে দেয়, মাঠে যতটাই আগ্রাসী হোন না কেন, মাঠের বাইরে বিরাট কোহলি একজন প্রাণখোলা, হাস্যরসিক মানুষ—যিনি সতীর্থদের সঙ্গে সম্পর্কটাকে রাখেন বন্ধুত্ব আর উষ্ণতায় ভরপুর।

Hello, I am Biplab Baroi. I have been working in blogging for more than four years. I began my journey in the digital media industry in 2021.
Along with covering daily news and current events, I write articles on tech news, smartphones, and astrology. My work is created strictly for educational purposes use only.