বলিউডের সোনালি যুগের অন্যতম জনপ্রিয় জুটি ছিলেন ধর্মেন্দ্র ও মুমতাজ। একসঙ্গে বেশ কয়েকটি সুপারহিট ছবিতে অভিনয় করে তাঁরা মন জিতেছিলেন প্রজন্মের পর প্রজন্মের দর্শকের। সেই মধুর সম্পর্কের স্মৃতিই মনকে ভারী করে তুলল অভিনেত্রী মুমতাজ়ের, যখন তিনি ধর্মেন্দ্রর শেষ সময়ে তাঁকে দেখতে পেলেন না।
অভিনেতার অসুস্থতার খবর পৌঁছনোর পরই হাসপাতালে ছুটে যান মুমতাজ। দীর্ঘ ৩০ মিনিট বাইরে অপেক্ষা করেন তিনি—আশায় ছিলেন, প্রয়াত অভিনেতার সঙ্গে শেষবারের মতো দেখা করতে পারবেন। কিন্তু সেই আশা আর পূরণ হয়নি। হাসপাতালের তরফে জানানো হয়, ধর্মেন্দ্র তখন ভেন্টিলেশনে ছিলেন, তাই তাঁকে দেখতে দেওয়া সম্ভব নয়। অপেক্ষার পরও কোনো ছাড় দেওয়া হয়নি।
মুমতাজ জানান, ‘‘আমাকে বাইরে বসতে বলা হয়েছিল। আমি অপেক্ষা করেছি, কিন্তু একবারের জন্যও দেখা করার অনুমতি দেওয়া হয়নি।’’ তাঁর কণ্ঠে ছিল দুঃখ ও অভিমান।
অভিনেত্রীর মনে পড়ে ২০২১ সালের সেই শেষ সাক্ষাৎ—ধর্মেন্দ্রর বাড়িতে দেখা হয়েছিল তাঁদের। ‘‘কী সুন্দর ছিল সে দিনটা’’, আবেগঘন স্মৃতি মনে করে বললেন তিনি।
ধর্মেন্দ্রর প্রয়াণে গোটা বলিউডই শোকস্তব্ধ। বৃহস্পতিবার মুম্বইয়ে অভিনেতার স্মরণসভায় হাজির হয়েছিলেন বহু তারকা। কিন্তু সেখানে দেখা যায়নি মুমতাজকে। এমনকি ধর্মেন্দ্রর শেষযাত্রাতেও অনুপস্থিত ছিলেন তিনি। কেন? অভিনেত্রীর বক্তব্যে বিষয়টি স্পষ্ট—ব্যক্তিগত বেদনা এবং হেমা মালিনীর প্রতি সহমর্মিতা।
মুমতাজ বলেন, ‘‘আমি বুঝতে পারছি হেমা কী ভয়ঙ্কর কষ্টের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। সারা জীবন একটি পুরুষের প্রতি তাঁর অগাধ ভালবাসা ছিল।’’
ধর্মেন্দ্র–মুমতাজের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও সহঅভিনয়ের স্মৃতি আজ আরও মূল্যবান হয়ে উঠেছে। কিন্তু শেষবারের মতো দেখা না পাওয়ার আক্ষেপ থেকে গেল অভিনেত্রীর মনে—চিরদিনের জন্য।
আরও পড়ুন
Rukmini: সিনেমা মুক্তির আগে দীঘা জগন্নাথ মন্দিরে হাজির রুক্মিণী, ভাগ করে নিলেন একগুচ্ছ ছবি

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than four years.