বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী Sushma Seth প্রমাণ করে দিচ্ছেন, বয়স কখনই জীবনীশক্তির মাপকাঠি নয়। নব্বইয়ের দোরগোড়ায় পৌঁছেও তাঁর দৈনন্দিন জীবনযাত্রা, কাজের প্রতি উৎসাহ এবং মানসিক সতেজতা আজকের তরুণ প্রজন্মকেও বিস্মিত করতে পারে।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি নিজের সুস্থ ও দীর্ঘ জীবনের পেছনের গোপন মন্ত্র তুলে ধরেছেন। তাঁর কথায়, নিয়ম এবং শৃঙ্খলাই তাঁর ফিটনেসের মূল চাবিকাঠি।
ভোর থেকেই শুরু স্বাস্থ্যচর্চা
সুষমা শেঠ প্রতিদিন ভোর ৪টেয় ঘুম থেকে ওঠেন। দিনের শুরুতেই তিনি কিছু সময় দেন Meditation বা ধ্যানে। এর ফলে মন শান্ত থাকে এবং মানসিক চাপ অনেকটাই কমে।
এরপর তিনি নিয়মিত Yoga করেন। শরীরের নমনীয়তা বজায় রাখা এবং পেশিকে সক্রিয় রাখার জন্য এটি অত্যন্ত কার্যকর বলে মনে করেন তিনি। পাশাপাশি Pranayama বা শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম তাঁর দৈনন্দিন অভ্যাসের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
হাঁটাচলা ও স্বনির্ভরতা
যোগব্যায়ামের পর তিনি নিয়ম করে হাঁটাচলা করেন। তাঁর বিশ্বাস, শরীরকে সক্রিয় রাখতে নিয়মিত নড়াচড়া অত্যন্ত জরুরি। শুধু তাই নয়, তিনি নিজের সব কাজ নিজেই করতে ভালোবাসেন, যা তাঁকে আরও বেশি স্বনির্ভর ও ফিট রাখে।
বিশেষজ্ঞদের মতামত কী বলছে?
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের জীবনযাপন শরীর ও মনের উপর গভীর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। ভোরে ঘুম থেকে ওঠা শরীরের জৈব ঘড়িকে সঠিক রাখে এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি করে।
ধ্যান ও প্রাণায়াম নিয়মিত করলে স্ট্রেস হরমোন কমে যায়, ফলে মন থাকে প্রশান্ত। যোগব্যায়াম শরীরের নমনীয়তা বাড়ানোর পাশাপাশি পেশিকে মজবুত করে এবং রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে।
বার্ধক্যেও সতেজ থাকার রহস্য
এই সুশৃঙ্খল জীবনধারা বার্ধক্যের প্রভাবকে ধীর করতে সাহায্য করে। নিয়মিত ব্যায়াম ও শ্বাসপ্রশ্বাসের চর্চা শরীরে রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে, প্রদাহ কমায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
শেষ কথা
সুষমা শেঠের জীবনযাপন আমাদের শেখায়—সুস্থ থাকতে বড় কোনো জটিল নিয়মের প্রয়োজন নেই। প্রয়োজন শুধু নিয়মিততা, ইতিবাচক মানসিকতা এবং নিজের শরীরের যত্ন নেওয়ার অভ্যাস।
বয়স যতই বাড়ুক, সঠিক রুটিন মেনে চললে যে সক্রিয় ও প্রাণবন্ত থাকা সম্ভব—তাঁর জীবনই তার সবচেয়ে বড় উদাহরণ।

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than four years.