অনেকেই মিউচুয়াল ফান্ডে টাকা জমা করেন। এটি একশ শতাংশ নিরাপদ তা বলা যায় না। বরং কিছুটা ঝুঁকি থেকেই যায়। কারণ অর্থনৈতিক বাজার সবসময় স্থিতিশীল বা এক স্থানে থাকে না। কখনও তা ওঠে আবার কখনও সেই বাজারে মন্দা দেখা দেয়। কেউ কেউ যখন মিউচুয়াল ফান্ডে টাকা জমা করেন তখন কিছু কিছু জিনিস মাথায় রাখা উচিত। বাজারের নানারকম পরিস্থিতি বুঝে মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করা উচিত। তার মধ্যে কয়েকটি পয়েন্ট নীচে উদ্ধৃত করা হল –
বিভিন্ন বাহ্যিক পরিস্থিতি – মিউচুয়াল ফান্ডের ওঠানামা অনেককিছুর ওপর নির্ভর করে। তার মধ্যে একটি হলো বাহ্যিক পরিস্থিতি। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, মন্দা, রাজনৈতিক পরিবর্তন, সুদের হার পরিবর্তন, নীতি পরিবর্তন সহ একাধিক জিনিসের উপর এটি নির্ভর করে। এসবের ফলে যে অর্থ বিনিয়োগ করা হয় তার রিটার্নের উপরেও এটি প্রভাব ফেলে।
মুদ্রাস্ফীতি – যদি উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি হয় তবে সেটি আপনার মোট আয়কে প্রভাবিত করে।
কন্সেন্ট্রেশন রিস্ক – কেউ যদি তার বিনিয়োগের সব অর্থ যেকোনো একটি সেক্টরে ব্যবহার করেন তবে তাতে বেশ ঝুঁকির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সেক্টরটিতে যদি মন্দা চলে তবে বিনিয়োগ করা গোটা অর্থ ক্ষতির মুখে পড়বে। তাই একটি সেক্টরে অর্থ বিনিয়োগ না করে সেটি বিভিন্ন সেক্টরে করা উচিত।
সুদের হার – সুদের হারের যে ওঠানামা হয় সেটি ইক্যুইটি ফান্ডের চেয়ে ঋণ মিউচুয়াল ফান্ডকে বেশি প্রভাবিত করে। আর এই সুদের হার ওঠানামা করলে সেটি বিনিয়োগ করা অর্থের উপর প্রভাব ফেলে।
ক্রেডিট রিস্ক – কোনও প্রতিষ্ঠান যারা ঋণ দিচ্ছে তাদের ক্ষেত্রেও দুর্বল অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে ঋণ দেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ মনে করতে পারে।

Hello friends, Myself Biplab. I have been writing horoscopes since 2019. Since 2022, I have also been writing about entertainment, lifestyle, and trending news.