ওমান সংলগ্ন জলসীমায় একটি পণ্যবাহী জাহাজে মার্কিন নৌবাহিনীর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। জাহাজটিতে ২৪ জন ভারতীয় নাবিক কর্মরত ছিলেন বলে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে। যদিও হামলার পর জাহাজটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে শেষ পর্যন্ত ডুবে যায়, তবুও সকল ভারতীয় নাবিক নিরাপদে আছেন বলে জানানো হয়েছে।
সূত্র অনুযায়ী, ‘মারিভেক্স’ নামের ওই জাহাজটি মাদাগাস্কারের পতাকাবাহী একটি বাণিজ্যিক জাহাজ। এটি ভারতের কর্নাটকের কারওয়ার বন্দর থেকে ওমানের দুকাম বন্দরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছিল। যাত্রাপথে জাহাজটি হরমুজ প্রণালীর কাছাকাছি ওমানের মাসিরাহ দ্বীপের নিকটবর্তী এলাকায় পৌঁছালে হামলার ঘটনা ঘটে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার দুপুর প্রায় দেড়টা নাগাদ মার্কিন নৌবাহিনী জাহাজটিকে লক্ষ্য করে অভিযান চালায়। হামলার ফলে জাহাজে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র এবং বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের দাবি, আগুনের তীব্রতায় জাহাজটি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং পরে সমুদ্রে ডুবে যায়।
ঘটনার পর ভারতীয় নৌপরিবহন মন্ত্রক জানিয়েছে, জাহাজে থাকা ২৪ জন ভারতীয় নাবিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। তাঁদের অবস্থা সম্পর্কে নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে এবং ওমানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে সমন্বয় রেখে পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে।
ভারত সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নাবিকদের সুরক্ষা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উদ্ধার ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বর্তমানে নাবিকরা নিরাপদ স্থানে রয়েছেন বলে সরকারি সূত্রের দাবি।
অন্যদিকে, এই অভিযানের দায় মার্কিন পক্ষ স্বীকার করলেও হামলার সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে এখনও স্পষ্ট তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। ফলে কেন ওই বাণিজ্যিক জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। আন্তর্জাতিক নৌপথে এমন ঘটনার প্রভাব এবং এর কূটনৈতিক প্রতিক্রিয়া নিয়ে বিশেষজ্ঞ মহলেও আলোচনা শুরু হয়েছে।
হরমুজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ। এই অঞ্চলে যেকোনো সামরিক বা নিরাপত্তাজনিত ঘটনা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জাহাজ চলাচলের ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে। তাই এই হামলার প্রকৃত কারণ এবং এর পেছনের পরিস্থিতি নিয়ে এখনো জল্পনা অব্যাহত রয়েছে।দ্রষ্টব্য: উপরের প্রতিবেদনটি শুধুমাত্র আপনার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখন করা হয়েছে। প্রকাশের আগে ঘটনাটির সত্যতা ও সরকারি সূত্র থেকে তথ্য যাচাই করা উচিত।

Hello friends, Myself Biplab. I have been writing horoscopes since 2019. Since 2022, I have also been writing about entertainment, lifestyle, and trending news.