বিয়ের আগে টাকা উপার্জন করাটা ভীষণই জরুরী, তেমনটাই মনে করেন অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলী। তাইতো খুব অল্প বয়স থেকেই মনস্থির করেছিলেন কিছু একটা করতে হবে জীবনে। সেই মতো বর্ধমানের সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসে রাজত্ব করছেন টলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে।
একান্নবর্তী পরিবারের মেয়ে শুভশ্রী

একান্নবর্তী পরিবারে বড়ো হয়েছেন শুভশ্রী। তার পরিবারের এমন অনেকে রয়েছেন যারা পড়াশোনায় ভীষণই মেধাবী। যদিও তাদের মধ্যে অনেকেই পড়াশোনা সম্পূর্ণ করার আগেই বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন। তবে এই বিষয়টা মোটেও পছন্দ ছিল না শুভশ্রীর। তিনি সবসময় চাইতেন বিয়ের আগেই নিজের পায়ে দাঁড়াতে।
শুভশ্রীর সমস্ত ভাই-বোনেরা পড়াশোনায় খুব ভালো

একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমার বাড়িতে আমার সমস্ত ভাই-বোনেরা পড়াশোনায় খুব ভালো। কেউ কেউ তো এমন আছেন যারা ক্লাস ওয়ান থেকে ডাবল মাস্টার্স পর্যন্ত প্রথম সারির ছাত্র-ছাত্রী। কিন্তু তাদেরকেও আমি দেখেছি, একটা ধাপ উচ্চ মাধ্যমিক-গ্র্যাজুয়েশনের পরে, বিয়ে করে নিয়েছেন। পড়ে গিয়ে তারা পড়াশোনা শেষ করেছেন।’
কোন বিষয়ে ঘোর আপত্তি ছিল শুভশ্রীর?

আরও যোগ করেন, ‘এই বিষয়টাতেই আমার খুব আপত্তি ছিল। আমি চেয়েছিলাম, বিয়ের আগেই কিছু একটা করতে হবে। বিয়েটা একটা সেটেলমেন্ট নয়। আমিও কাজ করবো, নিজের পায়ে দাঁড়াবো এই ভাবনা চিন্তাটা সবসময় মাথায় ঘুরতো। বলতে পারি এর পেছনে রয়েছেন আমার মা, উনি আমাকে বিষয়টা বোঝাতেন।’
শুভশ্রীর জীবনে তার মা দিদির অবদান

পাশাপাশি এও বলেছেন তার জীবনে তার মা এবং দিদি দেবশ্রীর অবদান কতখানি। ছোট থেকেই নাচতে ভালোবাসতেন শুভশ্রী। যদিও কারো কাছে কখনোই শেখেননি। দুর্গাপুরে একবার অডিশনে কথা বলেছিলেন দেবশ্রী। সেখান থেকেই সুযোগ পেয়ে যান কাজে। তার মতে অভিনেত্রীসুলভ বিষয়টি ছোট থেকেই ছিল তার মধ্যে।
আরও পড়ুন,
*আমার নাম করে বিভিন্ন খারাপ খবর ছড়ানো হচ্ছে, আতঙ্কে চঞ্চল চৌধুরী

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than four years.