Hair: নিয়মিত যত্নেই সম্ভব নতুন চুল গজানো: জানুন কার্যকর ৮ উপায়

Hair: চুল পড়া বা মাথার চুল ধীরে ধীরে পাতলা হয়ে যাওয়া এখন খুবই সাধারণ একটি সমস্যা। বয়স বাড়া, বংশগত কারণ, পরিবেশ দূষণ, মানসিক চাপ কিংবা ভুল জীবনযাপনের কারণেই এই সমস্যা দেখা দেয়। চুল পড়া বন্ধ করা যেমন জরুরি, ঠিক তেমনই গুরুত্বপূর্ণ হলো নতুন চুল গজানোর সঠিক উপায় জানা। অনেকেই মনে করেন একবার চুল(hair) পড়ে গেলে আর নতুন চুল গজায় না, কিন্তু বাস্তবে স্ক্যাল্পের সঠিক যত্ন নিলে এবং রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে পারলে নতুন চুল গজানো সম্ভব।

জ্যোতিষ বা অলৌকিক সমাধানের বদলে বৈজ্ঞানিক ও প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে যদি আমরা মাথার ত্বককে উদ্দীপিত করতে পারি, তাহলে ফলিকল আবার সক্রিয় হতে শুরু করে। চলুন জেনে নেওয়া যাক নতুন চুল গজানোর ৮টি কার্যকর উপায়।

১. নিয়মিত স্ক্যাল্প ম্যাসাজ

নতুন চুল গজানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো স্ক্যাল্প ম্যাসাজ। নিয়মিত ম্যাসাজ করলে মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে, ফলে চুলের গোড়া পুষ্টি পায়। এক টেবিল চামচ ভিটামিন ই-এর সঙ্গে চা-এর নির্যাস মিশিয়ে আঙুলের ডগা দিয়ে ৫–৬ মিনিট স্ক্যাল্প ম্যাসাজ করুন। পরে মোটা দাঁতের চিরুনি দিয়ে আলতো করে আঁচড়ান। দিনে ২–৩ বার করা যেতে পারে, তবে শ্যাম্পু বারবার ব্যবহার করবেন না।

২. ভাইব্রেটিং স্ক্যাল্প ম্যাসেজার ব্যবহার

চুলের গোড়ায় থাকা হেয়ার ফলিকলকে ভাইব্রেশনের মাধ্যমে উদ্দীপিত করলে নতুন চুল গজানোর সম্ভাবনা বাড়ে। বাজারে পাওয়া ভাইব্রেটিং স্ক্যাল্প ম্যাসেজার দিয়ে দিনে ৫–১০ মিনিট চক্রাকারে ম্যাসাজ করুন। যেসব জায়গায় বেশি চুল পড়ছে, সেখানে বিশেষভাবে মনোযোগ দিন।

৩. ডেড স্কিন দূরকারী শ্যাম্পু ব্যবহার

স্ক্যাল্পে জমে থাকা মৃত কোষ চুলের ফলিকল ব্লক করে রাখে, যার ফলে নতুন চুল গজাতে বাধা পায়। এমন শ্যাম্পু ব্যবহার করুন যা স্ক্যাল্প পরিষ্কার করে ডেড স্কিন দূর করে। অল্প পরিমাণ শ্যাম্পু নিয়ে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে দিনে একবার মাথা ধোয়াই যথেষ্ট।

নতুন চুল গজাতে খাদ্যাভ্যাসে আনুন এই পরিবর্তন

৪. প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার

চুল মূলত কেরাটিন নামক প্রোটিন দিয়ে তৈরি। তাই খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত প্রোটিন রাখা অত্যন্ত জরুরি। মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, পনির, সয়াবিন, মটরশুঁটি ও বাদাম নিয়মিত খেলে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।

৫. আয়রন ও জিঙ্ক

আয়রন ও জিঙ্ক স্ক্যাল্পে অক্সিজেন সরবরাহ করে এবং নতুন টিস্যু তৈরিতে সাহায্য করে। কলিজা, মাংস, বাদাম, মটরশুঁটি ও দুধে এই দুটি খনিজ উপাদান প্রচুর পরিমাণে রয়েছে।

৬. ভিটামিন সি

ভিটামিন সি কোলাজেন উৎপাদনে সাহায্য করে, যা চুলের বৃদ্ধির জন্য জরুরি। পেয়ারা, লেবু, কমলা, আনারস, কামরাঙা ও কাঁচা মরিচ নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখুন।

৭. কালোজিরার ব্যবহার

কালোজিরা নতুন চুল গজানোর জন্য অত্যন্ত উপকারী। কালোজিরার তেল স্ক্যাল্পে ব্যবহার করা এবং খাবারে কালোজিরা অন্তর্ভুক্ত করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।

৮. প্রাকৃতিক ঘরোয়া যত্ন

নিয়মিত পেঁয়াজের রস চুলের গোড়ায় লাগিয়ে ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। মেহেদি পাতা বেটে লাগানো, শুকনো আমলকি ভিজিয়ে ব্যবহার করা এবং খাঁটি কালোজিরা তেল নিয়মিত ব্যবহার করলেও নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ

চুল পরিষ্কার রাখুন, তবে অতিরিক্ত আঁচড়ানো এড়িয়ে চলুন

মানসিক চাপ কমান ও পর্যাপ্ত ঘুমান

নিয়মিত যত্ন নিলে ধীরে ধীরে ফল চোখে পড়বে

কথায় আছে, “যত্নে রতন মেলে।” নিয়মিত পরিচর্যা, সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও ধৈর্য—এই তিনের সমন্বয়েই সম্ভব নতুন চুল গজানো। নিয়ম মেনে চললে আপনার মাথাতেও আবার ঘন ও স্বাস্থ্যবান চুল ফিরে আসতে পারে।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক