আমাদের সমাজ সাধারণত বিবাহের পরেই পুরুষ ও মহিলার শারীরিক সম্পর্ককে মান্যতা দেয়। তবে আপনি কি জানেন এখনো ভারতবর্ষে এমন এক জনগোষ্ঠী রয়েছে যারা বিয়ের আগেই শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হন? আর যদি সেখানে স্ত্রী ও পুরুষ সন্তুষ্ট হন তবেই তারা পরবর্তী সময়ে বিয়ে করেন।
কী অবাক হচ্ছেন তো? তবে এমনটাই সত্যি। এই জনগোষ্ঠীর নাম ‘গোন্ড’। তাদের এক অংশকে আবার ‘বাইসন হর্ন মারিয়া’ বলেও ডাকা হয়। আসলে তারা বাইসনের সিং ব্যবহার করে বলেই তাদের এমন নামকরণ করা হয়েছে। ছত্রিশগড় রাজ্যের জগদলপুরে রয়েছে এই জনগোষ্ঠী।
তারা মূলত শারীরিক সম্পর্ক নিয়ে উদারপন্থী। তারা মনে করে বিয়ের আগে অবশ্যই নারী এবং পুরুষের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক প্রয়োজনীয়। কারণ, এই সম্পর্কই তাদের দাম্পত্য জীবনকে শক্তিশালী করবে। যদি কোনো নারী ও পুরুষ আগে থেকে সন্তুষ্ট হন তবেই তাদের বিয়ে দেওয়া হয়।
পাশাপাশি তারা এও মনে করে ভালোবাসা না থাকলে সে সম্পর্ক অনর্থক। তাইতো বিয়ের পরে যদি অন্য কোনো পুরুষ বা মহিলাকে পছন্দ হয় তবে স্বামী বা স্ত্রী’কে ছেড়ে চলে যাওয়ার স্বাধীনতা রয়েছে। বিয়ের আগে যদি কোনো নারীর সন্তানও জন্ম হয় তাহলে তাকে স্বাভাবিকভাবেই আপন করে নেওয়া হয়।
এখানেই শেষ নয় যদি কোনো নারীর স্বামীর মৃত্যু হয় তাহলে তার শ্বশুরবাড়ির সদস্যরাই থাকে ধুমধাম করে বিয়ে দেয়। জানা গিয়েছে, তাদের মধ্যে এক ধরনের বিশেষ উৎসব রয়েছে যেখানে অর্ধাঙ্গ অনাবৃত রেখেই মহিলা এবং পুরুষেরা উল্লাসে মেতে ওঠে।
এই জনগোষ্ঠীর বিষয়ে ১৯৩৮ সালে ব্রিটিশ আমলা ডাব্লিউ.ভি গ্রিগসন ‘দ্য মারিয়া গোন্ডস অব বস্তার’ নামক একটি বই লিখেছেন। দীর্ঘদিন ধরে এই বইটি নামী বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠক্রমে রয়েছে। এই বই থেকেই জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা সম্পর্কে তথ্য পাওয়া গিয়েছে।
আরও পড়ুন,
*কঠিন সময়ে জীবনসঙ্গীর মনোবল বাড়াবেন কী ভাবে? জানুন মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের মতামত

Hello friends, Myself Biplab. I have been writing horoscopes since 2019. Since 2022, I have also been writing about entertainment, lifestyle, and trending news.