Lifestyle: জন্মের পর ভিটামিন কে ইনজেকশন না দিলে নবজাতক মৃত্যুর ঝুঁকিতে

নবজাতক শিশুদের জীবন রক্ষায় জন্মের পর মাত্র এক ছোট ইনজেকশনই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চিকিৎসকরা সতর্ক করে বলছেন, ভিটামিন কে (Vitamin K) ইনজেকশন না দিলে শিশুর শরীরে রক্ত জমাট বাঁধার ক্ষমতা ঠিকভাবে কাজ করতে পারে না। এর ফলে জন্মের কয়েক সপ্তাহ বা মাসের মধ্যে শিশুর মস্তিষ্ক, অন্ত্র বা অন্যান্য অঙ্গে ভয়ঙ্কর রক্তক্ষরণ হতে পারে, যা মৃত্যুর কারণও হতে পারে।

ভিটামিন কে ডেফিসিয়েন্সি ব্লিডিং (V.K.D.B) নামে পরিচিত এই অবস্থায় শরীরে প্রয়োজনীয় ক্লটিং ফ্যাক্টর তৈরি হয় না। জন্মের সময় অধিকাংশ শিশুর দেহে ভিটামিন কে-এর পরিমাণ কম থাকে, কারণ গর্ভাবস্থায় মায়ের শরীর থেকে খুব সামান্যই এটি পৌঁছায়। বুকের দুধেও এর পরিমাণ সীমিত, তাই নবজাতকের শরীর স্বাভাবিকভাবে রক্তপাত বন্ধ করতে পারবে না।

ভিটামিন কে ইনজেকশন শরীরে রক্ত জমাট বাঁধার জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান তৈরি করতে সাহায্য করে। চিকিৎসকেরা জানান, এই ইনজেকশন না পেলে হঠাৎ খিঁচুনি, রক্তবমি, রক্তমিশ্রিত পায়খানা, অতিরিক্ত ঘুম, ফ্যাকাশে হওয়া বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

ভারতে অধিকাংশ হাসপাতালেই জন্মের পর ভিটামিন কে ইনজেকশন দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। সাধারণত, জন্মের প্রথম কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ১ কেজির বেশি ওজনের শিশুদের ১ মিলিগ্রাম এবং কম ওজনের শিশুদের ০.৫ মিলিগ্রাম ডোজ দেওয়া হয়।

তবে বাড়িতে জন্ম নেওয়া শিশু, স্বাস্থ্য পরিষেবার অভাব এবং সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভুল তথ্যের কারণে অনেক শিশু এখনও এই ইনজেকশন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দেন, এটি ভ্যাকসিন নয়, বরং বহু দশক ধরে নিরাপদ ও কার্যকর হিসেবে প্রমাণিত।

ভিটামিন কে ইনজেকশন না পেলে শিশুর মধ্যে ভি.কে.ডি.বি হওয়ার ঝুঁকি প্রায় ৮১ গুণ বেশি। দেরিতে দেখা দেওয়া এই রোগে ৩০ থেকে ৬০ শতাংশ শিশু মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণের শিকার হতে পারে, যা স্থায়ী ক্ষতি, পক্ষাঘাত বা মৃত্যুর কারণ হতে পারে। তাই নবজাতকের জীবন রক্ষায় জন্মের পর এই ছোট ইনজেকশনটি অপরিহার্য।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক