স্বামীর মৃত্যুর ১২ দিন পরেই শুটিংয়ে প্রিয়াঙ্কা! চোখের জলে ভাসিয়েও কেন কাজে ফিরলেন অভিনেত্রী?

স্বামী রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়-এর আকস্মিক মৃত্যুর পর এখনও গভীর শোকের মধ্যেই দিন কাটছে অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকার-এর। তবুও ব্যক্তিগত দুঃসহ যন্ত্রণা পাশে সরিয়ে রেখে পেশাদার দায়িত্বের প্রতি অটল থেকে তিনি আবারও শুটিং ফ্লোরে ফিরলেন—যা ইতিমধ্যেই টলিউডে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে।

সূত্রের খবর, ‘তারকাটা’ নামের একটি ওয়েব সিরিজের অসম্পূর্ণ কাজ শেষ করার জন্য শুক্রবার শুটিংয়ে যোগ দেন প্রিয়াঙ্কা। এই সিরিজটির প্রযোজক বিক্রম চট্টোপাধ্যায় এবং পরিচালক শমীক রায়চৌধুরী। জানা গেছে, এখনও কয়েক দিনের শুটিং বাকি রয়েছে, যার কিছু অংশ সম্পন্ন করতেই অভিনেত্রীকে নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজে ফিরতে হয়েছে।

গত ২৯ মার্চ ঘটে যায় এই মর্মান্তিক ঘটনা, যখন শুটিং চলাকালীনই স্বামীর মৃত্যুসংবাদ পেয়ে ছুটে যান প্রিয়াঙ্কা। সেই অসমাপ্ত কাজই এবার আবার শুরু করলেন তিনি। তবে এই প্রত্যাবর্তন মোটেও সহজ ছিল না। গত কয়েকদিন ধরে একদিকে যেমন স্বামীর মৃত্যুর রহস্য উন্মোচনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন, তেমনই অন্যদিকে পরিবার ও সন্তানকে আগলে রেখেছেন দৃঢ়ভাবে।

শুধু তাই নয়, ইন্ডাস্ট্রির সহকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তিনি ন্যায়বিচারের দাবিতেও সরব হয়েছেন। কঠিন এই সময়ে তিনি যেমন রাহুলের পরিবারের পাশে থেকেছেন, তেমনই নিজের সন্তান সহজকেও সামলেছেন সমানভাবে। ব্যক্তিগত শোককে জনসমক্ষে না এনে নিজেকে সংযত রাখার চেষ্টা করেছেন প্রতিটি মুহূর্তে।

এই পরিস্থিতিতে শুটিংয়ে ফেরা নিছক কাজ নয়—এ যেন এক মানসিক লড়াই। অভিনয়ের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং পেশার প্রতি নিষ্ঠাই তাঁকে আবার ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানোর শক্তি দিয়েছে।

এমন ঘটনা অবশ্য একেবারে নতুন নয়। অতীতে বহু শিল্পী ও ক্রীড়াবিদ ব্যক্তিগত শোক সত্ত্বেও কাজ চালিয়ে যাওয়ার নজির রেখেছেন। যেমন, শচীন তেন্ডুলকর নিজের পিতৃবিয়োগের পরও বিশ্বকাপে মাঠে নেমেছিলেন। আবার বাংলা ইন্ডাস্ট্রিতে কাঞ্চন মল্লিক মাতৃবিয়োগের অল্প সময়ের মধ্যেই শুটিংয়ে ফিরেছিলেন।

প্রিয়াঙ্কার এই প্রত্যাবর্তন সেই একই বার্তাই দেয়—“কর্মই ধর্ম”।

এর মধ্যেই এক আবেগঘন বার্তায় প্রিয়াঙ্কা জানিয়েছেন, এই মৃত্যু যেন শুধুই শোক হয়ে না থাকে, বরং ভবিষ্যতে বড় কোনও পরিবর্তনের পথ দেখায়। তিনি চান, শিল্পী ও টেকনিশিয়ানদের নিরাপত্তা এবং সম্মান নিশ্চিত হোক, যাতে ভবিষ্যতে আর এমন দুর্ঘটনার মুখোমুখি হতে না হয়।

ব্যক্তিগত জীবনের গভীর শোকের মাঝেও কাজের প্রতি এই অঙ্গীকার নিঃসন্দেহে এক অনন্য উদাহরণ হয়ে থাকল—যেখানে একদিকে হারানোর যন্ত্রণা, অন্যদিকে দায়িত্ববোধ—দুটোই সমানভাবে জায়গা করে নিয়েছে।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক