টেলিভিশনের পরিচিত মুখ সুদীপা চট্টোপাধ্যায়-কে ঘিরে বিতর্ক যেন নতুন কিছু নয়। ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে সামাজিক মাধ্যমে তাঁর উপস্থিতি— সবকিছুই বারবার আলোচনায় উঠে আসে। সম্প্রতি তাঁর স্বামী, পরিচালক অগ্নিদেব চট্টোপাধ্যায়-কে নিয়ে ভুয়ো মৃত্যুসংবাদ ছড়িয়ে পড়ায় নতুন করে চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে তিনি।
কিছুদিন আগেই পরিবারের এক ঘনিষ্ঠ সদস্যকে হারানোর শোক সামলাতে হয়েছে তাঁকে। সেই সঙ্গে স্বামীর দীর্ঘদিনের অসুস্থতা নিয়েও উদ্বেগ ছিল। এর মধ্যেই হঠাৎ করে সমাজমাধ্যমে অগ্নিদেবকে নিয়ে মিথ্যে খবর ছড়িয়ে পড়ে, যা স্বাভাবিকভাবেই তাঁদের পরিবারকে অস্বস্তিতে ফেলে।
তবে সুদীপার দাবি, সময়ের সঙ্গে তিনি এই ধরনের পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে শিখেছেন। আগে এমন খবর শুনলে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়তেন, কিন্তু এখন আর সেভাবে প্রভাবিত হন না। তাঁর মতে, সমস্যা তৈরি হয় অন্য জায়গায়— পরিবারের প্রবীণ সদস্যরা এই ধরনের খবর শুনে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং বারবার খোঁজ নিতে থাকেন।
সমাজমাধ্যম নিয়ে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গিও বদলেছে। বর্তমানে তিনি এটিকে কাজের একটি মাধ্যম হিসেবে দেখেন, কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে খুব বেশি গুরুত্ব দেন না। তাঁর কথায়, অনলাইনে অযাচিত মন্তব্য ও ভুল তথ্য এখন সাধারণ ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এটাই প্রথম নয়, অতীতেও নানা বিতর্কের মুখে পড়তে হয়েছে তাঁকে। বিদেশে একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার সময় খাবার নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্ক তাঁর পরিবারকেও প্রভাবিত করেছিল। এমনকি তাঁর সন্তানের কাছেও সেই প্রসঙ্গ পৌঁছে যায়। তবে নতুন প্রজন্ম এসব বিষয়কে ভিন্নভাবে দেখে বলেই মনে করেন তিনি।
একসময় সমালোচনার জবাব না দিলেও এখন আর চুপ করে থাকেন না সুদীপা। প্রয়োজনে সরাসরি প্রতিক্রিয়া জানান। তাঁর মতে, সমাজমাধ্যমে যে ভাষায় সমালোচনা করা হয়, তা অনেক সময়ই সীমা ছাড়িয়ে যায়— এমনকি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের ক্ষেত্রেও।

সব মিলিয়ে, ব্যক্তিগত আঘাত, ভুয়ো খবর এবং সমালোচনার মাঝেও নিজেকে মানসিকভাবে দৃঢ় রাখার চেষ্টা করছেন সুদীপা চট্টোপাধ্যায়।

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than four years.