বাংলার রাজনৈতিক পালাবদলের পর নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন Suvendu Adhikari। এই পরিস্থিতিতে টলিউড অভিনেতা ও সাংসদ Dev-এর মন্তব্য ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও দেব বরাবরই নিজের সংযত ও ভদ্র অবস্থানের জন্য পরিচিত। বিরোধী দল সম্পর্কে প্রকাশ্যে কটাক্ষ করতে তাঁকে খুব কমই দেখা গিয়েছে।
সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে দেবকে প্রশ্ন করা হয়, তিনি যেমন মেদিনীপুরের মানুষ, তেমনই বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও মেদিনীপুরের ভূমিপুত্র। এই প্রসঙ্গে নিজের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে হাসিমুখে দেব বলেন, “ভালোই তো! মেদিনীপুর সব সময় এগিয়ে ছিল, আছে, থাকবে।” তাঁর এই মন্তব্য ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও বিনোদন মহলে যথেষ্ট চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে।
দেবের রাজনৈতিক আচরণ বরাবরই অন্যদের থেকে কিছুটা আলাদা। তিনি সক্রিয়ভাবে তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও রাজনৈতিক মতভেদকে ব্যক্তিগত সম্পর্কে প্রভাব ফেলতে দেননি। টলিউডের বিভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের অভিনেতা-অভিনেত্রীদের সঙ্গে সমানভাবে কাজ করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে।
কিছুদিন আগেই অভিনেত্রী Rupa Ganguly দেবকে নিয়ে প্রশংসা করে বলেছিলেন, দেব সবসময় সবাইকে সঙ্গে নিয়ে চলতে পছন্দ করেন এবং তিনি কখনও ‘ব্যান কালচার’-এর পক্ষপাতী নন। একইভাবে রাজনৈতিক অবস্থান আলাদা হলেও Mithun Chakraborty-র সঙ্গেও দেবের সুসম্পর্কের কথা বহুবার সামনে এসেছে।
রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দেব স্পষ্ট জানিয়েছিলেন যে তিনি এখন মূলত টলিউড ইন্ডাস্ট্রির কাজ নিয়েই ব্যস্ত থাকতে চান। রাজনীতির চেয়ে বাংলা চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নই তাঁর কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে বাংলা ইন্ডাস্ট্রিকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করে আবার আগের জায়গায় ফিরিয়ে আনার আশা প্রকাশ করেছেন অভিনেতা।
অন্যদিকে, বহু প্রতীক্ষিত ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান নিয়েও নতুন সরকার সক্রিয় হয়েছে বলে খবর। এই প্রকল্প নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই সরব ছিলেন দেব। ফলে নতুন সরকারের কাছ থেকে এলাকার উন্নয়ন এবং বাংলা বিনোদন জগতের পুনরুজ্জীবন— দুই ক্ষেত্রেই আশাবাদী অভিনেতা।

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than five years.