Vastu: ফিটকিরির ৫ সহজ বাস্তু টোটকা, দূর হতে পারে সংসারের অশান্তি ও নেতিবাচক শক্তি?

ভারতীয় সংস্কৃতিতে বাস্তুশাস্ত্রের গুরুত্ব বহুদিনের। অনেকেই বিশ্বাস করেন, ঘরের শক্তির ভারসাম্য নষ্ট হলে তার প্রভাব পড়তে পারে পারিবারিক সম্পর্ক, মানসিক শান্তি, এমনকি কাজকর্ম ও ব্যবসার উপরও। বাস্তুশাস্ত্রের বিভিন্ন উপায়ের মধ্যে ফিটকিরি বা অ্যালামের ব্যবহারও বেশ জনপ্রিয়। যদিও এই দাবিগুলির পক্ষে বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই, তবুও বহু মানুষ দীর্ঘদিন ধরে এই পদ্ধতিগুলি অনুসরণ করে আসছেন।

নিচে এমনই পাঁচটি প্রচলিত বাস্তু-পরামর্শ তুলে ধরা হল।

ব্যবসার উন্নতির জন্য

Vastu: ফিটকিরির ৫ সহজ বাস্তু টোটকা, দূর হতে পারে সংসারের অশান্তি ও নেতিবাচক শক্তি?
Vastu: ফিটকিরির ৫ সহজ বাস্তু টোটকা, দূর হতে পারে সংসারের অশান্তি ও নেতিবাচক শক্তি?

বাস্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যবসায় দীর্ঘদিন মন্দা চললে একটি পরিষ্কার লাল কাপড়ে ছোট একটি ফিটকিরির টুকরো বেঁধে দোকানের প্রধান দরজা বা ক্যাশবাক্সের কাছে রাখা যেতে পারে। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এটি নেতিবাচক শক্তি দূরে রেখে ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করতে সহায়ক হতে পারে।

নজরদোষ কাটানোর প্রচলিত উপায়
অনেকের ধারণা, অন্যের কুদৃষ্টি বা নজরদোষের কারণে নানা কাজে বাধা আসতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে কিছু ফিটকিরি হাতে নিয়ে আক্রান্ত ব্যক্তির মাথার চারপাশে সাতবার ঘুরিয়ে পরে আগুনে ফেলে দেওয়ার রীতি প্রচলিত রয়েছে। এটি সম্পূর্ণ বিশ্বাসভিত্তিক একটি প্রথা।

শান্ত ঘুমের জন্য
যাঁদের ঘুমের সমস্যা রয়েছে বা দুঃস্বপ্নে ঘুম ভেঙে যায়, তাঁদের জন্যও বাস্তুশাস্ত্রে একটি টোটকার উল্লেখ পাওয়া যায়। রাতে বালিশের নিচে ছোট একটি ফিটকিরির টুকরো রেখে ঘুমালে মানসিক অস্থিরতা কমে এবং ঘুম ভালো হতে পারে বলে অনেকে বিশ্বাস করেন। তবে ঘুমের সমস্যা দীর্ঘদিন থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

পড়াশোনায় মনোযোগ বাড়াতে
বাস্তু মতে, পড়ার ঘর বা স্টাডি টেবিলের এক কোণে ফিটকিরি রাখলে পরিবেশ ইতিবাচক থাকে এবং মনোযোগ বাড়তে পারে। বিশেষ করে পরীক্ষার সময় অনেক পরিবার এই উপায় অনুসরণ করে থাকেন। যদিও এর কার্যকারিতা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত নয়।

ঘরের নেতিবাচক শক্তি কমাতে
ঘরের কোনও নিরিবিলি কোণে একটি পাত্রে কয়েকটি ফিটকিরির টুকরো রেখে প্রতি মাসে তা বদলে দেওয়ার পরামর্শ দেন অনেক বাস্তুবিশেষজ্ঞ। তাঁদের মতে, এতে ঘরের পরিবেশ ইতিবাচক থাকে এবং মানসিক স্বস্তি বজায় থাকে।

মনে রাখবেন
ফিটকিরি ব্যবহারের এই সব পদ্ধতি মূলত বাস্তুশাস্ত্র ও লোকবিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে প্রচলিত। এগুলির কার্যকারিতা নিয়ে নির্ভরযোগ্য বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। তাই এগুলিকে আধ্যাত্মিক বা সাংস্কৃতিক বিশ্বাস হিসেবেই দেখা উচিত। কোনও শারীরিক, মানসিক বা আর্থিক সমস্যার ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক