ডায়মন্ড রিংয়ের ভয়ংকর দিক: সব রাশির জন্য নয় দামী হিরে

হিরে মানেই বিলাসিতা, সৌন্দর্য ও সামাজিক মর্যাদার প্রতীক। প্রিয়জনকে উপহার হোক বা নিজের শখ—হিরের আংটি বহু মানুষের কাছেই আকর্ষণের। তবে জ্যোতিষশাস্ত্র বলছে, এই দামী রত্ন সবার জীবনে সুখ বয়ে আনে না। ভুল রাশিতে বা জন্মকুণ্ডলীতে শুক্র গ্রহ অশুভ অবস্থানে থাকলে হিরে আশীর্বাদ নয়, বরং সর্বনাশের কারণও হতে পারে।

জ্যোতিষ মতে, হিরে হল শুক্র গ্রহের রত্ন। শুক্র প্রেম, সৌন্দর্য, ভোগ-বিলাস, সম্পদ ও দাম্পত্য সুখের কারক। জন্মকুণ্ডলীতে শুক্র শুভ স্থানে থাকলে হিরে পরলে আর্থিক উন্নতি, সম্পর্কের স্থায়িত্ব ও মানসিক শান্তি বৃদ্ধি পায়। কিন্তু শুক্র দুর্বল বা অশুভ হলে ঠিক তার উল্টো ফল দেখা যায়—অর্থক্ষতি, সম্পর্ক ভাঙন, মানসিক অস্থিরতা এমনকি কর্মক্ষেত্রের সমস্যাও বাড়তে পারে।

বিশেষ করে কয়েকটি রাশির জাতকদের ক্ষেত্রে হিরে পরা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করেন জ্যোতিষরা।
মেষ রাশির অধিপতি মঙ্গল, যার সঙ্গে শুক্রের স্বভাবগত বিরোধ রয়েছে। ফলে এই রাশির কেউ হিরে পরলে মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়া, স্বাস্থ্য সমস্যা ও ব্যক্তিগত জীবনে টানাপোড়েন বাড়ার আশঙ্কা থাকে।

বৃশ্চিক রাশির ক্ষেত্রেও একই সমস্যা দেখা দেয়। মঙ্গলের প্রভাবে শুক্র দুর্বল হলে প্রেমের সম্পর্কে অবিশ্বাস, দাম্পত্য কলহ এমনকি বিচ্ছেদ পর্যন্ত হতে পারে।
ধনু রাশির জাতকদের জন্য হিরে আর্থিক ক্ষতির কারণ হতে পারে। অপ্রয়োজনীয় খরচ বেড়ে যাওয়া, স্বাস্থ্যহানি ও মানসিক চাপ বৃদ্ধি পাওয়ার যোগ তৈরি হয়।

মীন রাশির জন্যও হিরে খুব একটা শুভ নয়। শুক্র স্থিতিশীল না থাকলে প্রেমজীবনে বারবার ভাঙন, ভুল বোঝাবুঝি ও রোগভোগের সম্ভাবনা তৈরি হয়।
এছাড়াও সিংহ রাশির জাতক-জাতিকাদের ক্ষেত্রেও হিরে বিপদের ইঙ্গিত দেয়। চাকরি ও ব্যবসায় জটিলতা, আর্থিক সংকট ও লোকসানের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

সব মিলিয়ে বলা যায়, হিরে দামী হলেও তা পরার আগে শুধু শখ বা ফ্যাশনের কথা ভাবলেই চলবে না। জন্মকুণ্ডলী ও রাশিচক্রে শুক্রের অবস্থান বিচার করে তবেই এই রত্ন ধারণ করা উচিত। নইলে সৌন্দর্যের প্রতীক হিরেই হয়ে উঠতে পারে জীবনের বড় বাধা।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক