বর্তমান প্রজন্মের রাত জাগার অভ্যাস বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর এই অভ্যাসের কারণে ক্ষিদের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে তাদের মধ্যে। রাত যত গভীর হয় তখনই পেটে ডাক পড়ে। মুখরোচক কিছু খেলে যেনো ভালো লাগে। রাত জেগে থাকলে এমন টুকটাক জিনিস খাওয়ার ইচ্ছে বেড়ে যায়। কখনও চিপস্ কিংবা কুকিজ আবার চকোলেট। ফ্রিজ খুলে আইসক্রিম খোঁজ করার তাগিদ থাকে অনেকের।
অর্থাৎ রাত বাড়লেই মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছে দ্বিগুণ হয়ে ওঠে। মন খারাপ থাকলেও কি মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছে বেড়ে যায়? গবেষণায় উঠে এসেছে একটি তথ্য। আর সেই তথ্যটি ‘জামা নেটওয়ার্ক জার্নাল’-এ প্রকাশিত হয়েছে। মনোরোগ চিকিৎসক গৌতম ব্যানার্জীর মতে, “আমরা এই ধরনের উপসর্গকে কার্বোহাইড্রেট ক্রেভিং বলি।” তবে মন খারাপ করলেই যে চকোলেট খেতে ইচ্ছে করবে এমনটা নয়।”
ডিপ্রেশনের রয়েছে একাধিক স্তর। এই উপসর্গগুলি দেখা যায় অ্যাটিপিক্যাল ডিপ্রেশনে। এই ধরনের ডিপ্রেশনের কারণ থাকে না৷ এমনিই এমন ডিপ্রেশন হয়। এমনি এমনি আমাদের মন খারাপ করে। চিকিৎসকদের মতে, মন খারাপ থাকলে বা একাকিত্বে মিষ্টি খাওয়ার প্রবণতা বাড়ে এমনটা নয়। উদ্বেগ বোধ হলেও এই ধরনের সমস্যা দেখা দেয়।
মনোবিদ দেবশিলা বসু জানাচ্ছেন, অনেকসময় ছাত্রছাত্রীদের পরীক্ষার আগে ‘বিঞ্জ ইটিং’-এর প্রবণতা বেড়ে যায়। অনলাইন গেম খেলার মতন মিষ্টি খাওয়ায় একটি নেশা। ছোটো বড়ো সকলেরই এই সমস্যা হতে পারে। চিকিৎসকরা তাই বাচ্চাদের বাড়ির বাইরে মাঠে গিয়ে খেলার পরামর্শ দেন। মিষ্টি খাওয়ার প্রবণতা যেমন বেড়েছে তেমনি মিষ্টি খাওয়ার ফলে অবসাদ ও উদ্বেগের সংখ্যাও বেড়েছে।
তাই মিষ্টি খাওয়ার প্রতি নিয়ন্ত্রণ না আনলে বিপদ বাড়তে পারে। মিষ্টি খাওয়ার আসক্তি নিবারণ করার উপায় –
১)অনেকসময় ডিহাইড্রেশন থেকেও মিষ্টি খাওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। তাই শরীরে জলের অভাব হতে দেওয়া যাবে না।
২)ওটস্, ফল, মিষ্টি আলু, কিনোয়া যেগুলিতে কার্বোহাইড্রেট রয়েছে তেমন খাবার খাওয়া ভালো।
৩)পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন খেতে হবে। এই প্রোটিন দেহের রক্তে ইনসুলিন ‘সেনসিটিভিটি’ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।
৪) বাদাম, শাকসবজি, বিভিন্ন রকমের বীজ যাতে ম্যাগনেশিয়াম রয়েছে এমন খাবার খেতে হবে।
আরও পড়ুন,
*স্মার্ট মানুষ হবেন কিভাবে? রইলো অজানা তথ্য
*একটিও সাপ নেই, ভারতের ‘একমাত্র’ সাপমুক্ত রাজ্য, নাম জানেন

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than four years.