পাপারাৎজির প্রশ্নে অস্বস্তি, বাবাহারা এষা দেওলের নীরব প্রতিবাদ

গত ২৪ নভেম্বর প্রয়াত হয়েছেন বলিউডের প্রবীণ অভিনেতা ধর্মেন্দ্র। বাবার মৃত্যুর পর প্রায় এক মাস কেটে গেলেও শোক কাটিয়ে উঠতে পারেননি দেওল পরিবারের সদস্যরা। এই আবহেই মঙ্গলবার প্রথমবার প্রকাশ্যে এলেন ধর্মেন্দ্র-কন্যা এষা দেওল। মুম্বই বিমানবন্দরে তাঁকে দেখা যায় সম্পূর্ণ কালো পোশাকে—কালো টি-শার্ট ও ম্যাচিং প্যান্টে। চোখে এভিয়েটর সানগ্লাস, হাতে একটি ব্রেসলেট—সব মিলিয়ে তাঁর লুক ছিল নিঃশব্দ শোকের প্রতিচ্ছবি।

বিমানবন্দরে নিরাপত্তা চেক-ইনের দিকে যাওয়ার সময় পাপারাৎজিরা এষার কাছে ছবির জন্য পোজ দিতে অনুরোধ করেন। শোকের মাঝেও ফটোগ্রাফারদের এড়িয়ে যাননি অভিনেত্রী। অনুরোধ রাখেন এবং ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে পোজ দেন। তবে তাঁর মুখের ভাব দেখেই বোঝা যাচ্ছিল, বাবার মৃত্যু তাঁকে এখনও গভীরভাবে আচ্ছন্ন করে রেখেছে।

পোজ দেওয়ার পরই এক ফটোগ্রাফার এষাকে প্রশ্ন করেন, “আপনি কেমন আছেন?” এই প্রশ্নে দৃশ্যত বিস্মিত ও বিরক্ত হয়ে পড়েন অভিনেত্রী। প্রশ্নটি শুনে তিনি হাত তুলে প্রশ্নবোধক ভঙ্গিতে ইঙ্গিত করেন—এমন পরিস্থিতিতে এ কেমন প্রশ্ন! এরপর তিনি কারও সঙ্গে বাক্য বিনিময় না করেই হাত জোড় করে নীরবে বিমানবন্দরের ভিতরে প্রবেশ করেন। তাঁর এই আচরণ অনেকের কাছেই শোকাহত একজন কন্যার স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া বলেই মনে হয়েছে।

এর আগে চলতি মাসের শুরুতে এষা সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি আবেগঘন নোট শেয়ার করেছিলেন। ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে তিনি লেখেন, দীর্ঘদিন ধরে স্থগিত রাখা কিছু কাজের প্রতিশ্রুতি তিনি ধীরে ধীরে পূরণ করতে চান। একই সঙ্গে তিনি সকলের কাছে অনুরোধ করেন, যেন তাঁকে একজন মানুষ এবং সর্বোপরি একজন কন্যা হিসেবে বোঝা হয়—যিনি এখনও তাঁর সবচেয়ে স্নেহময় ও মূল্যবান পিতাকে হারানোর শোক বয়ে বেড়াচ্ছেন। এষা স্পষ্ট করে লেখেন, এই ক্ষতি তিনি কোনওদিনই কাটিয়ে উঠতে পারবেন না।

ব্যক্তিগত জীবনেও গত কয়েক বছর ধরে কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন এষা দেওল। ভারত তাখতানির সঙ্গে তাঁর বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে। দুই সন্তানকে নিয়ে এখন তিনি একাই মা হিসেবে দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। এর মাঝেই বাবাকে হারানোর শোক তাঁর জীবনে আরও বড় আঘাত হয়ে এসেছে।

উল্লেখ্য, ৯০তম জন্মদিনের কয়েকদিন আগেই ২৪ নভেম্বর প্রয়াত হন ধর্মেন্দ্র। গোপনেই সম্পন্ন হয় তাঁর শেষকৃত্য। ধর্মেন্দ্রর দ্বিতীয় পক্ষের সন্তান এষা দেওল। শোনা যায়, এই সময় হেমা মালিনী ও তাঁর পরিবার থেকে আলাদা ছিলেন সানি ও ববি দেওল। ধর্মেন্দ্রর প্রার্থনাসভাতেও হেমা মালিনী ও তাঁর পরিবারের উপস্থিতি দেখা যায়নি। পরে হেমা মালিনী আলাদাভাবে প্রয়াত স্বামীর জন্য একটি প্রার্থনাসভার আয়োজন করেন।

সব মিলিয়ে, বাবার মৃত্যুর শোক, ব্যক্তিগত জীবনের টানাপোড়েন এবং প্রকাশ্যে পাপারাৎজিদের অপ্রয়োজনীয় প্রশ্ন—সবকিছুর মধ্যেই এষা দেওলের নীরব প্রতিবাদ যেন অনেক কিছু বলে দিল।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক