অবশেষে দীর্ঘ এক মাস পর জামিন মামলায় ফের জামিন নাকচ করা হলো বাংলাদেশের ইসকনের সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ প্রভুর। এদিন বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম আদালত তাকে জামিন দিল না। অর্থাৎ আবারও তাকে জেলেই থাকতে হবে। এদিন চট্টগ্রাম আদালতে বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। চারিদিকে নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়। যদিও চিন্ময় প্রভুকে আদালতে হাজির করানো হয়নি।
তার নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে ভার্চুয়াল হাজিরার মাধ্যমে চলে শুনানি। বাংলাদেশে প্রায় দেড় মাস ধরে বন্দি সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী। তার বিরুদ্ধে আনা হয়েছে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা। এই মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলে তার যাবজ্জীবন জেল হবে। যদিও অনেকেই মনে করছেন, হাসিনা পরবর্তী বাংলাদেশে ইউনুস সরকারের সময় মৌলবাদীদের হাতে নিপীড়িত হিন্দুদের হয়ে আওয়াজ তোলার জন্য তাকে নিশানা করা হয়েছে।
এদিন বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম আদালতে মহানগর দায়রা জজ সাইফুল ইসলাম চিন্ময়ের জামিন খারিজ করে দেন। এদিন সকাল সোয়া ১০টার দিকে হওয়া শুনানিতে চিন্ময় প্রভুর হয়ে সওয়াল করেন ১১ আইনজীবীর দল। যদিও চিন্ময় প্রভুর আইনজীবী রবীন্দ্র ঘোষ বর্তমানে অসুস্থ হয়ে কলকাতার হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
আর তাই বাকি আইনজীবীরা এগিয়ে এসে এদিন সন্ন্যাসীর হয়ে সওয়াল করেন। এদিন আদালত ওই আইনজীবীদের যুক্তি মেনে নেয়নি। আর তাই আগামীতে চিন্ময় প্রভুকে জেলে থাকতে হবে। এই প্রসঙ্গে এদিন কলকাতা ইসকনের ভাইস প্রেসিডেন্ট রাধারমণ দাস বলেন, “আমরা আশায় ছিলাম। এদিনে রায় খুবই হতাশাজনক।”
যদিও অনেকের মতে, বাংলাদেশের বর্তমান ইউনুস সরকারের রোষের মুখে পড়েছেন চিন্ময় প্রভু। কিছুদিন আগে চিন্ময় প্রভুকে জেলবন্দী করে রাখতে নানান ফন্দি করে ইউনুস সরকার। কিছুদিন আগে বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোট সংবাদমাধ্যমে দাবি করে, চিন্ময় প্রভুর মুক্তি আটকাতে ৭০ জন হিন্দু সন্ন্যাসীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর ফলে যাতে কোনও আইনজীবী তার হয়ে মামলা না লড়তে পারেন।

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than four years.