আশাজি নেই! ভেঙে পড়লেন জোজো, স্মৃতিতে ফিরে এল জীবনের বড় প্রাপ্তি

ভারতীয় সঙ্গীত জগতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র Asha Bhosle-এর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ গোটা দেশ। তাঁর কণ্ঠ, তাঁর বহুমুখী গায়কি এবং অনন্য উপস্থিতি বহু প্রজন্মের শিল্পীদের অনুপ্রাণিত করেছে। সেই তালিকায় রয়েছেন বাংলার জনপ্রিয় গায়িকা Jojo Mukherjee, যিনি আশাজিকে নিজের জীবনের একমাত্র আইডল বলে মনে করেন।

আশাজির মৃত্যুসংবাদ পাওয়ার পর থেকেই গভীর শোকাহত জোজো। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কথা বলতে গিয়ে বারবার আবেগে ভেঙে পড়েন তিনি। তাঁর কথায়, ছোটবেলা থেকেই আশাজির গান শুনে বড় হয়েছেন তিনি। শুধু গান নয়, মঞ্চে পারফর্ম করার ধরন, গায়কির বৈচিত্র—সবকিছুতেই তিনি অনুপ্রেরণা পেয়েছেন এই কিংবদন্তির কাছ থেকে।

বুকের সংক্রমণ কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে জানলে চমকে যাবেন
বুকের সংক্রমণ কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে জানলে চমকে যাবেন

জোজো বলেন, “আশাজিই আমার একমাত্র আইডল। ওঁর গান শুনেই বড় হয়েছি। আজ মনে হচ্ছে যেন মাথার ওপর থেকে একটা বড় ছাতা সরে গেল।” তাঁর এই মন্তব্যেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে শিল্পীর প্রতি গভীর নির্ভরতা ও শ্রদ্ধা।

কেরিয়ারের শুরুতেই স্বপ্নপূরণ

জোজোর সঙ্গীতজীবনের এক বিশেষ অধ্যায় জুড়ে রয়েছেন আশাজি। কিংবদন্তি সুরকার Bappi Lahiri-র সৌজন্যে কেরিয়ারের একেবারে শুরুতেই আশাজির সঙ্গে মঞ্চ ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ পান তিনি। যদিও তখন বয়স কম থাকায় সেই মুহূর্তের গুরুত্ব পুরোপুরি উপলব্ধি করতে পারেননি, তবুও আজ সেই স্মৃতি তাঁর কাছে অমূল্য সম্পদ।

একটা গান গাইতে কত পারিশ্রমিক নিতেন Asha Bhosle? জানলে অবাক হবেন
একটা গান গাইতে কত পারিশ্রমিক নিতেন Asha Bhosle? জানলে অবাক হবেন

তিনি আরও বলেন, “যাঁরা আশাজিকে সামনে থেকে দেখেছেন, তাঁদের ওপর ঈশ্বরের আশীর্বাদ রয়েছে।” এই কথাতেই ফুটে ওঠে তাঁর গভীর আবেগ ও শ্রদ্ধা।

গানের মাধ্যমে চিরন্তন সম্পর্ক

শুধু মঞ্চেই নয়, জোজোর নিজের গানের অ্যালবামেও আশাজির প্রভাব স্পষ্ট। তাঁর জনপ্রিয় গানগুলির মধ্যে অনেকটাই আশাজির গানের অনুপ্রেরণায় তৈরি। জোজোর কথায়, “আমাকে মানুষ চিনেছেন আশাজির গানের জন্য। আমি যখন গানকে পেশা হিসেবে নিতে শুরু করি, তখন একমাত্র ভরসা ছিলেন আশাজি।”

তিনি আরও যোগ করেন, সকলের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলতে চান—আশা ভোঁসলের মতো বহুমুখী গায়িকা আর নেই। তাঁর মতে, আশাজির গায়কির বৈচিত্র ও শক্তি তাঁকে অন্য সবার থেকে আলাদা করে তুলেছে।

এক যুগের অবসান, কিন্তু সুর অমর

আশা ভোঁসলের প্রয়াণ নিঃসন্দেহে সঙ্গীত জগতের এক অপূরণীয় ক্ষতি। তবে তাঁর রেখে যাওয়া অসংখ্য গান, তাঁর স্টাইল এবং তাঁর প্রভাব আগামী প্রজন্মের শিল্পীদের পথ দেখাবে। জোজোর মতো অসংখ্য শিল্পীর কণ্ঠে ও স্মৃতিতে তিনি বেঁচে থাকবেন চিরকাল।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক