প্রথম ছবিতেই টলিউডের জনপ্রিয় তারকা দেবের সঙ্গে রোম্যান্স! শুনে যেন নিজেকেই চিমটি কাটতে হয়েছিল জ্যোতির্ময়ী কুণ্ডুকে। ‘প্রজাপতি ২’-এ দেবের বিপরীতে অভিষেক—নতুন এই নায়িকার মুখে শোনা গেল সেই যাত্রাপথের স্মৃতি। আনন্দবাজার অনলাইনকে অভিনেত্রী জানালেন, প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারেননি যে পর্দায় দেবের বিপরীতে অভিনয় করবেন।
জ্যোতির্ময়ী হাসতে হাসতেই বললেন, “আমি অনুভূতি প্রকাশ করতে পারি না। লোকে আমার মুখ দেখে বুঝতেই পারে না, আমি খুশি না দুঃখ পেয়েছি! দেবদাও বুঝতে পারেননি আমার কী অবস্থা।” যদিও ভাষায় অনুভূতি প্রকাশে তাঁর অসুবিধা নেই। তাঁর কথায়, “এতদিন যাঁকে পর্দায় দেখে বড় হয়েছি, তাঁর বিপরীতে অভিনয়—সবটা যেন চোখের পলকে হয়ে গেল!”
এই সুযোগের জন্য কৃতজ্ঞ তিনি পরিচালক অভিজিৎ সেনের প্রতি। তবে পর্দায় দেবের সঙ্গে রোম্যান্স থাকলেও বাস্তবে দেবকে তিনি শ্রদ্ধার জায়গাতেই দেখেন। স্পষ্টই বললেন, “পর্দায় রোম্যান্সে আপত্তি নেই, কিন্তু বাস্তবে দেবদা মানে প্রচণ্ড শ্রদ্ধা।”
● প্রথম দেখায় ভয়!
জ্যোতির্ময়ী ফিরে গেলেন দেবের সঙ্গে প্রথম দেখা হওয়ার দিনটিতে। তখন ‘রঘু ডাকাত’-এর জন্য অভিনেতার চেহারায় ব্যাপক বদল—মুখভর্তি দাড়ি-গোঁফ, ওজনও অনেকটা বেশি। জ্যোতির্ময়ীর ভাষায়, “দেখে একটু ভয় ভয় করেছিল!” কিছুদিন পর যখন ‘প্রজাপতি ২’-এর চরিত্র অনুযায়ী দেবকে দেখেন, তখন মনে যেন ডানা মেলেছিল হাজার প্রজাপতি। বললেন, “এই তো আমার সেই ‘পাগলু’ দেবদা!”
● লন্ডনে দীর্ঘ শুটিং, বেড়ানো–খাওয়াদাওয়াও
প্রযোজক-নায়ক দেবের ব্যবস্থাপনায় লন্ডনে দীর্ঘ শুটিং। কাজের ফাঁকে বেড়ানো, খাওয়াদাওয়া, হালকা মেজাজের মুহূর্ত—সবই ছিল। দেবের জন্য কিছু কিনেছেন কি না জানতে চাইতেই একটু থতমত খেলেন নায়িকা। বললেন, “দেবদার সঙ্গে প্রতি মুহূর্তে থাকতাম না। কী পছন্দ জানব কী করে!”
● ‘প্রজাপতি ২’ তাঁর জীবনের প্রথম অনেক কিছুর
জ্যোতির্ময়ীর কাছে ‘প্রজাপতি ২’ শুধু প্রথম ছবি নয়, তাঁর অভিনয়জীবনের প্রথম অনেক স্মৃতির সমষ্টি। কারণ ছবিতে রয়েছেন মিঠুন চক্রবর্তীও। উত্তেজনায় বললেন, “প্রথম ছবি আমাকে এত কিছু দিয়েছে! জীবনে কোনওদিন ভুলব না।”
এর পাশাপাশি তিনি মনে করিয়ে দিলেন ধারাবাহিক ‘বঁধুয়া’-র ‘পেখম’ চরিত্রের কথা। সেই চরিত্রেই অভিনয় করেছিলেন বলে আজ তিনি দেবের নায়িকা হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন বলে মনে করেন।
আরও পড়ুন
মিষ্টি চমক! ডিভোর্স পেরিয়েও অটুট আমির-রিনা সম্পর্কের গল্প

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than four years.