মহানায়ক উত্তম কুমারের বাড়িতে রীতি মেনে লক্ষ্মী পুজোর আয়োজন, দেবীকে শাড়ি ও গয়নায় সাজালেন দেবলীনা

আজ কোজাগরী লক্ষ্মী পুজো। ঘরে ঘরে আজ আসবেন লক্ষ্মী দেবী। আর তারই ব্রত কামনায় প্রতিটি ঘরে আয়োজন চলছে তার পুজোর। লক্ষ্মী পুজোর দিন দেবলীনা কুমারের ব্যস্ততা থাকে কয়েক গুণ। তার কারণ, তিনি তিনটি পুজোর দায়িত্ব সামলান। তিনি উত্তম কুমারের নাত বউ হওয়ার পাশাপাশি তার বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান। শ্বশুর বাড়িতে উত্তম কুমারের সময় থেকে লক্ষ্মী পুজোর চল শুরু হয়। সেই ধারা এখনও বজায় রয়েছে চট্টোপাধ্যায় বাড়িতে।

দেবলীনা এর পাশাপাশি একটি নাচের স্কুল চালান। সেখানেও তিনি দেবীর আরাধনা করেন। তাই লক্ষ্মী পুজোর দিন তিন জায়গার পুজো সামলাতে হয় তাকে। তবে শত ব্যস্ততার মধ্যেও দিব্যি সবকিছু সামলে চলেন দেবলীনা। পরম যত্নে সবকিছু আয়োজন করেন। কোনোরূপ খামতি রাখেন না কোথাও। গতকাল রবিবার স্কুলের মেয়েদের নিয়ে পটুয়া পাড়া থেকে প্রতিমা এনেছেন তিনি। তার পাশাপাশি রান্না করেছেন পায়েস।

উত্তম কুমারের বাড়িতে লক্ষ্মী প্রতিমা প্রতি বছর পূজিত হন মহানায়কের স্ত্রী গৌরীর আদলে। পুজোর আয়োজনে থাকেন গৌরবের স্ত্রী দেবলীনা। রীতি মেনে এখনও উপোস করে পুজোতে বসেন উত্তম কুমারের নাতি গৌরব। মা লক্ষ্মীকে লাল পাড় সাদা শাড়ি ও সোনার গয়নায় সাজান দেবলীনা। পুজোর ভোগ আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। চট্টোপাধ্যায় বাড়িতে দীক্ষিত পরিবারে মেয়ে বা পুত্রবধূরাই ভোগ রান্না করতে পারে।

আগের মতন জাঁকজমকপূর্ণ পুজো না হলেও আগের রীতি এখনও বজায় আছে। যদিও ভক্তি বা নিষ্ঠায় কোনও খামতি রাখেন না তারা। উত্তর কুমারের নাতি নাতনি গৌরব, নবমিতা ও মৌমিতারা সামলান এখনের পুজো। আগে উত্তম কুমার উপোস করে পুজোয় বসতেন। সেই ধারা বজায় রেখেছেন গৌরব। ১৯৫০ সালে গৌতমের জন্মের পর সেই বছরই মহানায়কের ইচ্ছে হয় বাড়িতে লক্ষ্মী পুজো দেওয়ার। আর তারপর থেকেই ভবানীপুরের গিরিশ মুখার্জি রোডের চট্টোপাধ্যায় বাড়িতে হয়ে চলেছে কোজাগরী লক্ষ্মী পুজো।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক