কাজের দিনের সকালে ফের বড়সড় ভোগান্তির মুখে পড়লেন কলকাতা মেট্রোর যাত্রীরা। বিদ্যুৎ সরবরাহে সমস্যার কারণে নেতাজি ভবন ও রবীন্দ্র সদন স্টেশনের মধ্যবর্তী টানেল অংশে একটি মেট্রো ট্রেন দাঁড়িয়ে পড়ে। হঠাৎ এই ঘটনার জেরে আতঙ্ক ছড়ালেও মেট্রো কর্তৃপক্ষ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, টানেলে আটকে পড়া সমস্ত যাত্রীকে নিরাপদে নেতাজি ভবন স্টেশনে ফিরিয়ে আনা হয়েছে এবং এতে হতাহতের কোনও খবর নেই।
এই ঘটনার প্রভাব পড়েছে গোটা মেট্রো পরিষেবায়। আপাতত ভাঙা পথে মেট্রো চলাচল করছে। ময়দান–দক্ষিণেশ্বর এবং মহানায়ক উত্তম কুমার–শহীদ ক্ষুদিরাম স্টেশনের মধ্যে সীমিত পরিষেবা চালু রাখা হয়েছে। ফলে অফিসযাত্রী ও নিত্যযাত্রীদের চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়েছে। মেট্রো কর্তৃপক্ষ আশ্বাস দিয়েছে, দ্রুত প্রযুক্তিগত সমস্যা মেটানোর কাজ চলছে এবং খুব শীঘ্রই স্বাভাবিক পরিষেবা চালু করা হবে।
অন্যদিকে, আজ উত্তরবঙ্গে রাজনৈতিক কর্মসূচি রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। মঙ্গলবার তিনি কোচবিহারে দলের রণসংকল্প সভায় যোগ দেবেন। সভার আগে কোচবিহারের ঐতিহ্যবাহী মদনমোহন মন্দিরে পুজো দেওয়ার কথা রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়সহ তৃণমূলের একাধিক সাংসদের। এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে জেলা জুড়ে তৎপরতা বেড়েছে দলীয় নেতৃত্বের মধ্যে।
এদিকে রাজ্যবাসীর জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ খবর—ফের জাঁকিয়ে শীত পড়তে চলেছে বাংলায়। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, মকর সংক্রান্তিকে ঘিরে রাজ্যজুড়ে কনকনে ঠান্ডা অনুভূত হবে। আজ রাত থেকেই বিভিন্ন জেলায় তাপমাত্রা কমতে শুরু করবে। কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি নেমে যেতে পারে বলে পূর্বাভাস।
আবহাওয়াবিদদের মতে, দক্ষিণবঙ্গে আগামী অন্তত সাত দিন শীতের দাপট বজায় থাকবে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও তাপমাত্রার ক্ষেত্রে বড় কোনও পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। পাশাপাশি, কয়েকটি জেলায় ভোরের দিকে কুয়াশার প্রভাব পড়তে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। সব মিলিয়ে, যানজট, রাজনৈতিক কর্মসূচি ও শীত—এই তিনে মিলিয়ে ব্যস্ত ও চ্যালেঞ্জের মধ্যেই দিন কাটছে রাজ্যবাসীর।

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than four years.