আর মাত্র কয়েকদিনের অপেক্ষা। তারপর ঢাকে পড়বে কাঠি। বাঙালি দিন গুনছে এক এক করে। আকাশে পেঁজা তুলোর মতো মেঘ যা জানান দিচ্ছে পুজো আসতে আর বেশি দেরি নেই। প্রতিবছর দুর্গা পুজোতে কলকাতা থিম পুজোয় শীর্ষে জায়গা করে নেয়। এবারও তেমনই একের পর এক প্যান্ডেলে চলছে নানান কারুকার্যের কাজ। তবে এবার কলকাতার পাশাপাশি জেলাও টক্কর দিতে শুরু করেছে থিম পুজোতে।
এবার হুগলিতে দেখা যাবে অযোধ্যার রাম মন্দিরের আদলে প্যান্ডেল। চলতি বছরে উদ্বোধন হওয়া রাম মন্দিরের ন্যায় তৈরি করা হবে দুর্গা পুজোর প্যান্ডেল। সেটি দেখার জন্য যে ভিড় উপচে পড়বে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। ইতিমধ্যে এক মাস আগে থেকে প্যান্ডেল তৈরির কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যে ৫০ শতাংশ কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। আর কিছু কাজ বাকি রয়েছে।
এই প্যান্ডেলটি তৈরি করছে হুগলির জিরাটের জিরাট সার্বজনীন দুর্গাৎসব কমিটি। জানা যাচ্ছে, এবছর প্লাটিনাম জয়ন্তী বর্ষ হতে চলেছে জিরাট সার্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটি। আর তাই অযোধ্যার রাম মন্দিরকে বেছে নেওয়া হয়েছে। এর জন্য পরিবেশ বান্ধব উপকরণ বাঁশ, ফোম থেকে শুরু করে ভেষজ রঙয়ের ব্যবহার করা হচ্ছে। এই প্যান্ডেল তৈরির ভার রয়েছে শিল্পী তপন কুমার পাত্রের উপর।
তার কথায়, অযোধ্যার রাম মন্দির যতটা জায়গা জুড়ে তৈরি হয়েছে ততটা জায়গা এখানে নেই। ছোটোর মধ্যে যতটা সম্ভব ফুটিয়ে তুলে তৈরি করা হচ্ছে এই মন্দির। গোটা মন্ডপে থাকবে রাম, সীতা, হনুমান থেকে শুরু করে নারায়ণের মূর্তি। এর পাশাপাশি মন্দিরের ভিতরে থাকবে একটি ২৫ বাই ২৫ ফুটের বিশালাকার ঝাড়বাতি। শিল্পী তপন বাবুর মতে, অনেকেই অযোধ্যায় রাম মন্দির দেখতে যেতে পারেননি। তাদের জন্য যতটা সম্ভব মিলিয়ে তৈরি করা হবে এই প্যান্ডেল।
জানা যাচ্ছে, এই প্যান্ডেল তৈরির বাজেট ধরা হয়েছে ৬০ লক্ষ টাকা, এমনটাই জানিয়েছেন পুজো কমিটির সেক্রেটারি নীলাদ্রি মন্ডল। তাই বাড়ির কাছে রাম মন্দির দর্শন করতে চাইলে এটিই হবে সেরা উপায়। যদিও কলকাতার বাইরে এখন জেলা থিম পুজোতে নিজেদের জায়গা করে নিয়েছে। গতবছর নজর কেড়েছিল খিদিরপুর ২৫ পল্লী, শ্রীভুমি, বেলেঘাটা ৩৩ পল্লী, টালা প্রত্যয় সহ একাধিক প্যান্ডেল।
আরও পড়ুন,
*বিয়ের দিন রূপটান শিল্পীকে বিন্দুমাত্র সময় দিতে চাননি আলিয়া! নেপথ্যে কোন কারন? জানেন

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than four years.