দীর্ঘ প্রায় এক দশক পর ফের নন্দন চত্বরে পা রাখলেন অভিনেত্রী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব Rupa Ganguly। পুরনো স্মৃতি মনে করে তিনি জানান, একসময় নিয়মিত নন্দনে আসা-যাওয়া ছিল তাঁর। চলচ্চিত্র উৎসব থেকে শুরু করে শিল্পী সংগঠনের বৈঠক— নানা কর্মকাণ্ডের সঙ্গেই জড়িয়ে ছিল এই সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। এত বছর পর ফিরে এসে নন্দনের পরিবেশ আগের মতোই পরিচ্ছন্ন ও পরিচিত মনে হলেও কিছু অবকাঠামোগত সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে বলেও মত দেন তিনি।
রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর টলিউডের সাংগঠনিক ক্ষেত্রেও বদলের ইঙ্গিত মিলেছে। শিল্পী সংগঠনের দায়িত্বে নতুন মুখ আসার প্রসঙ্গে রূপা জানান, কীভাবে কাজ হবে তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তবে তিনি স্পষ্ট করে দেন, বাংলা বিনোদন জগতকে আরও ঐক্যবদ্ধ ও স্বাধীন পরিবেশে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যেই কাজ হবে।
টলিউডে দীর্ঘদিন ধরে চলা তথাকথিত ‘ব্যান সংস্কৃতি’ নিয়েও সরব হন তিনি। তাঁর বক্তব্য, শিল্পীদের কাজের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পরিচয় যেন কোনও বাধা হয়ে না দাঁড়ায়। প্রযোজক, পরিচালক কিংবা অভিনেতাদের স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ তৈরি করাই এখন অন্যতম লক্ষ্য। যদিও বিভিন্ন সংগঠন নিয়ে সরাসরি বিতর্কে যেতে চাননি তিনি।
নিজের অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন রূপা। দীর্ঘদিন অভিনয় থেকে দূরে থাকার পেছনে এই ‘ব্যান সংস্কৃতি’র প্রভাব ছিল বলে ইঙ্গিত দেন। তবে এই পরিস্থিতির মধ্যেও Dev-এর ভূমিকাকে আলাদা করে উল্লেখ করেন তিনি। রূপার কথায়, দেব কখনও রাজনৈতিক বিভাজনকে গুরুত্ব দেননি এবং সব পক্ষের শিল্পীদের সঙ্গে কাজ করেছেন। তাঁর ছবিতে বিভিন্ন মতাদর্শের অভিনেতাদের জায়গা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। এই কারণেই কিছু ক্ষেত্রে দেবের ছবিকে সমস্যার মুখেও পড়তে হয়েছে বলে মন্তব্য করেন রূপা। তবু অভিনেতার এই অবস্থানকে তিনি ব্যতিক্রমী ও ইতিবাচক বলেই মনে করেন।
বর্তমানে অভিনয়ের চেয়ে রাজনীতিতেই বেশি মন দিতে চান রূপা। ফলে খুব শিগগিরই তাঁকে পর্দায় দেখা যাবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।
এদিকে রাজ্যে নাট্য প্রশিক্ষণ কেন্দ্র তৈরির ঘোষণাকে ঘিরে নাট্যজগতে আশার সঞ্চার হলেও স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন Kaushik Sen। সেই প্রসঙ্গে রূপা বলেন, মানুষের মনে দীর্ঘদিনের ভয় ও সংশয় রয়েছে ঠিকই, তবে নতুন প্রশাসনের উপর আস্থা রাখার আহ্বান জানান তিনি।
অন্যদিকে শিল্পী ও রাজনৈতিক মহলের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই রূপা স্পষ্ট ভাষায় জানান, তিনি ব্যক্তিগতভাবে সম্মাননা বা আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনার প্রতি আগ্রহী নন। তাঁর মতে, কাজই আসল পরিচয়। পাশাপাশি কিছু সংগঠনের ‘অরাজনৈতিক’ দাবি নিয়েও পরোক্ষে প্রশ্ন তোলেন তিনি।

Hello friends, Myself Biplab. I have been writing horoscopes since 2019. Since 2022, I have also been writing about entertainment, lifestyle, and trending news.