নতুন বছর মানেই নতুন আশা, নতুন শুরু। ২০২৬ সালের শুরুতে জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী দেবী লক্ষ্মীর কৃপা পেতে কিছু বিশেষ নিয়ম পালন করলে সারা বছর জুড়ে সংসারে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি বজায় থাকে বলে বিশ্বাস করা হয়। শাস্ত্রে দেবী লক্ষ্মীকে ধন, ঐশ্বর্য ও সৌভাগ্যের অধিষ্ঠাত্রী দেবী হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। তাই নববর্ষের সূচনালগ্নে তাঁকে তুষ্ট করা অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়।
জ্যোতিষ মতে, সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ৯টার মধ্যে দেবী লক্ষ্মী পৃথিবীতে আগমন করেন। এই সময়টিকেই অত্যন্ত পবিত্র ধরা হয়। বিশ্বাস করা হয়, এই সময় যদি ঘরের পরিবেশ পবিত্র ও আলোকিত রাখা যায়, তবে দেবী লক্ষ্মী সেই গৃহে স্থায়ীভাবে আশীর্বাদ বর্ষণ করেন।
নববর্ষের সন্ধ্যায় প্রথমেই বাড়ির প্রধান দরজা কিছুক্ষণ খোলা রাখতে বলা হয়। এতে ইতিবাচক শক্তির প্রবেশ ঘটে এবং অশুভ শক্তি দূরে থাকে। এরপর দরজার সামনে পাঁচটি তেলের প্রদীপ জ্বালানো অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। এই পাঁচ প্রদীপ দেবী লক্ষ্মীর পাঁচ রূপের প্রতীক এবং সমৃদ্ধির আহ্বান জানায়।
আরও পড়ুন:নতুন বছরের প্রথম দিনে তুলসী তলায় এই ৫ টোটকা করলে ঘরে আসবে লক্ষ্মীর কৃপা
বাড়ির মূল প্রবেশপথ অবশ্যই পরিষ্কার রাখতে হবে। দরজার সামনে সুন্দর আলপনা দিলে তা দেবী লক্ষ্মীর আগমনকে স্বাগত জানানোর প্রতীক হয়ে ওঠে। বিশ্বাস করা হয়, দেবী লক্ষ্মী কখনও অপরিষ্কার বা অন্ধকার স্থানে অবস্থান করেন না। তাই নববর্ষে ঘরের প্রতিটি কোণ পরিষ্কার রাখা বিশেষ জরুরি।
আরও পড়ুন:বর্ষবরণের পার্টির পর হ্যাংওভার? চাঙ্গা হওয়ার সহজ ঘরোয়া টোটকা
এছাড়াও বাড়ির মন্দিরে, উত্তর দিকে এবং তুলসী মঞ্চের কাছে একটি করে প্রদীপ জ্বালানো অত্যন্ত শুভ। যদি বাড়ির পাশে কল বা জলের উৎস থাকে, সেখানেও প্রদীপ জ্বালানো যেতে পারে। এতে সংসারে সুখ-সমৃদ্ধি, শান্তি ও আর্থিক স্থিতি বজায় থাকে বলে বিশ্বাস করা হয়।
আরও পড়ুন:আজ থেকেই বদলাতে চলেছে ভাগ্য, মকর–কুম্ভ–মীনের জীবনে বড় পরিবর্তন
নববর্ষের এই শুভ লগ্নে নিষ্ঠা ও ভক্তি সহকারে দেবী লক্ষ্মীর আরাধনা করলে সারা বছর তাঁর কৃপা পরিবারকে আগলে রাখে—এমনটাই বিশ্বাস শাস্ত্র মতে।

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than four years.