এই ৫ রাশির বন্ধুত্বে সাবধান! অতিরিক্ত ঈর্ষা থেকে সম্পর্কের বড় ক্ষতি হতে পারে

জীবনে সাফল্য, জনপ্রিয়তা বা সুখ—অন্যের জীবনে এগুলি দেখলে অনেকের মনেই সামান্য হলেও ঈর্ষা জাগে। তবে জ্যোতিষশাস্ত্র বলছে, কিছু রাশির জাতকদের ক্ষেত্রে এই ঈর্ষাবোধ মাত্রা ছাড়িয়ে যায়। তখন তা শুধু মানসিক অস্বস্তিই নয়, সম্পর্ক ভাঙন, বন্ধুত্বে ফাটল এবং কর্মক্ষেত্রের সমস্যার কারণও হয়ে ওঠে। জেনে নেওয়া যাক, কোন কোন রাশির জাতকদের মধ্যে ঈর্ষার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি দেখা যায় এবং কেন তাঁদের ক্ষেত্রে সাবধান থাকা জরুরি।

মেষ রাশি

মেষ রাশি
মেষ রাশি

মেষ রাশির জাতকেরা অত্যন্ত আবেগপ্রবণ ও দ্রুত উত্তেজিত হন। সামান্য বিষয়েও রাগ জমে ওঠে, আর সেখান থেকেই জন্ম নেয় ঈর্ষা। কেউ তাঁদের থেকে এগিয়ে গেলে বা প্রশংসা পেলে তা সহজে মেনে নিতে পারেন না। রাগের মাথায় বলা বা করা কথা অনেক সময় ঘনিষ্ঠ সম্পর্কেও চিড় ধরায়।

কর্কট রাশি

কর্কট রাশি
কর্কট রাশি

কর্কট রাশির মানুষেরা খুবই সংবেদনশীল এবং সম্পর্কনির্ভর। প্রিয় মানুষের প্রতি অতিরিক্ত অধিকারবোধ থেকেই তাঁদের ঈর্ষা জন্মায়। নিজের কষ্ট বা সন্দেহ মুখে প্রকাশ না করে মনে পুষে রাখেন, যা ধীরে ধীরে ভুল বোঝাবুঝিকে বাড়িয়ে তোলে। এতে বন্ধুত্ব বা প্রেমের সম্পর্কে নীরব দূরত্ব তৈরি হয়।

সিংহ রাশি

সিংহ রাশি
সিংহ রাশি

সিংহ রাশির জাতকেরা সব সময় আলোচনার কেন্দ্রে থাকতে ভালোবাসেন। নেতৃত্ব ও প্রশংসা তাঁদের প্রিয়। কিন্তু যখন কেউ তাঁদের ছাপিয়ে যায় বা বেশি গুরুত্ব পায়, তখন ঈর্ষা গ্রাস করে। বন্ধু বা সহকর্মীর সাফল্য অনেক সময় তাঁদের অহংবোধে আঘাত করে, যার প্রভাব সম্পর্কের উপর পড়ে।

কন্যা রাশি

কন্যা রাশি
কন্যা রাশি

কন্যা রাশির মানুষেরা নিখুঁততা ও তুলনামূলক মানসিকতার জন্য পরিচিত। তাঁরা প্রায়ই নিজেকে অন্যের সঙ্গে তুলনা করেন। কেউ ভালো ফল করলে বা দ্রুত এগিয়ে গেলে নিজেদের অযোগ্য মনে করে ঈর্ষান্বিত হন। এই নিরাপত্তাহীনতা কাছের মানুষদের সঙ্গেও মানসিক দূরত্ব তৈরি করতে পারে।

বৃশ্চিক রাশি

বৃশ্চিক রাশি
বৃশ্চিক রাশি

বৃশ্চিক রাশির জাতকদের অনুভূতি গভীর এবং তীব্র। একবার ঈর্ষা জন্মালে তা সহজে দূর হয় না। বিশ্বাসভঙ্গের আশঙ্কা বা অন্যের সাফল্য তাঁদের মনে সন্দেহ ও হিংসার আগুন জ্বালিয়ে দেয়। এই প্রবণতা চরমে পৌঁছালে সম্পর্কের ক্ষেত্রে ক্ষতিকর সিদ্ধান্তও নিতে পারেন।

উপসংহার

ঈর্ষা মানবিক অনুভূতি হলেও, অতিরিক্ত হলে তা সম্পর্ক ও ভবিষ্যতের জন্য বিপজ্জনক। উপরোক্ত রাশির জাতকদের ক্ষেত্রে সচেতন থাকা যেমন জরুরি, তেমনই নিজের আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। পারস্পরিক বিশ্বাস ও খোলামেলা কথোপকথনই পারে ঈর্ষার বিষ থেকে সম্পর্ককে বাঁচাতে।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক