এবার সমুদ্রের তল থেকে উদ্ধার হল একটি জাহাজ ও তার মধ্যে থাকা আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র। তবে সবথেকে বেশি নজর কেড়েছে যে জিনিসটি তা হলো শ্যাম্পেনের বোতল। বিশ্বাস না হলেও এটিই সত্যি। জানা গিয়েছে, জাহাজটি জলের তলায় চলে গিয়েছে উনবিংশ শতাব্দীতে। অবশেষে এতদিন পর সেই জাহাজের সন্ধান পেলো ব্রিটেনের এক ডুবুরি দল।
জাহাজে সন্ধান চালিয়ে মূল্যবান সামগ্রীর পাশাপাশি পাওয়া গিয়েছে ১৭৫ বছরের পুরনো প্রচুর শ্যাম্পেনের বোতল। দীর্ঘ বছর ধরে সমুদ্রের তলায় পড়েছিল বোতলগুলি। বর্তমানে এই শ্যাম্পেনের দাম যে অনেক তা আর বলে দেওয়ার অপেক্ষা রাখে না। গত ১২ই জুলাই বাল্টিক সাগরে অবস্থিত ওল্যান্ড দ্বীপের দক্ষিণ থেকে প্রায় ২০ নটিক্যাল মাইল দূরে ২ জন ডুবুরি ডুব দিয়েছিলেন।
এরপর তারা দুই ঘন্টা ধরে অনুসন্ধান চালান। এরপর তাদের নজর আসে একটি ডুবন্ত জাহাজ। ওই দু’জন ডুবুরি ডাইভিং গ্রুপের সদস্য ছিলেন। এরপর ওই জাহাজটি তাদের নজরে এলে তারা সেটি গ্রুপে জানান। এরপর সেখানে আরও ৪০ জন ডুবুরি হাজির হয়। এরপর পুরোদমে অনুসন্ধান চালানো হয়৷ অবশেষে সমুদ্রের ১৯০ ফুট গভীরে ওই জাহাজের সন্ধান চালানো হয়।
সেখানে পাওয়া গিয়েছে সেল্টার নামের এক জার্মান ব্র্যান্ডের মিনারেল ওয়াটারের বোতল ও প্রচুর পরিমাণ শ্যাম্পেন। যদিও জাহাজটি এখনও ভালো অবস্থায় রয়েছে। বড় বড় ঝুড়িতে ভরা ছিল ওয়াটার বোতল ও শ্যাম্পেনগুলি। এর পাশাপাশি জাহাজ থেকে মাটির কাজ করা প্রচুর বাসনপত্র পাওয়া গিয়েছে। জলের বোতলের গায়ে কোম্পানির নাম লেখা ছিল।

বোতলের কোম্পানি স্বীকার করেছে সেগুলি তাদেরই। তবে শ্যাম্পেনগুলি কোন সংস্থার তা জানা যায়নি। তবে বোতলের মধ্যে পাওয়া শ্যাম্পেন পরীক্ষা করে জানা গিয়েছে সেগুলি ১৮৫০ সাল থেকে ১৮৬৭ সালের মধ্যে তৈরি হয়েছে। অনুমান করা হচ্ছে জাহাজটি বাণিজ্যিক জাহাজ ছিল। সেইসময় মিনারেল ওয়াটার বিক্রি করা হতো বাণিজ্যিকভাবে।
এই জলের বোতলগুলি এত দামি ছিল যে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় নিয়ে যাওয়ার জন্য পুলিশি নিরাপত্তার প্রয়োজন ছিল। বোতলের গায়ে সংস্থার নাম পাওয়া গিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ১৮৫২ সালে রাশিয়াতে বাণিজ্য করার উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল জাহাজটি। কিন্তু সমুদ্রের মাঝেই সেটি ডুবে যায়।
আরও পড়ুন,
*বিবাহবিচ্ছেদের জল্পনাকে আরও উস্কে দিলেন নীলাঞ্জনা! যিশুর সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙলেও মেয়েরা নয়নের মণি

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than four years.