বলিউডে অ্যাকশন ছবির ক্ষেত্রে প্রযুক্তিনির্ভর ভিজ্যুয়াল এখন প্রায় নিয়মে পরিণত হলেও, সেই ধারা থেকে বেরিয়ে একেবারে বাস্তবধর্মী শুটিংয়ের ঝুঁকি নিয়েছে ধুরন্ধর দ্য রিভেঞ্জ। ছবির সাফল্যের মধ্যেই সামনে এসেছে এমন কিছু তথ্য, যা সত্যিই চমকে দেওয়ার মতো।
পরিচালক আদিত্য ধার এই ছবির ক্লাইম্যাক্সকে যতটা সম্ভব বাস্তব করে তুলতে চেয়েছিলেন। তাই CGI বা ভিএফএক্সের উপর নির্ভর না করে সরাসরি বিস্ফোরণের দৃশ্য শুট করা হয়। জানা গেছে, এই শুটিংয়ে ব্যবহার করা হয়েছিল প্রায় ৫০০ লিটার পেট্রল—যা সাধারণ নিয়মের তুলনায় অনেক বেশি।
ছবির অ্যাকশন দৃশ্যে বিশেষ করে রণবীর সিং এবং অর্জুন রামপাল-এর লড়াইয়ের সময় যে বিস্ফোরণগুলি দেখা গেছে, সেগুলো সম্পূর্ণ বাস্তব। শুধু তাই নয়, প্রতিটি ট্যাঙ্কে অতিরিক্ত প্রায় ২৫ কেজি বিস্ফোরকও ব্যবহার করা হয়েছিল, যা পুরো দৃশ্যকে আরও তীব্র করে তুলেছে।
অ্যাকশন ডিরেক্টরের কথায়, প্রথমে ২৫০ লিটার পেট্রল ব্যবহারের পরিকল্পনা থাকলেও, আদিত্য ধার জোর দিয়ে বলেন যে বাস্তব অনুভূতি আনতে অন্তত ৫০০ লিটার প্রয়োজন। সেই সিদ্ধান্তই শেষ পর্যন্ত ছবির ক্লাইম্যাক্সকে অন্য মাত্রা দেয়।
এই ধরনের শুটিং যে কতটা ঝুঁকিপূর্ণ, তা সহজেই অনুমান করা যায়—বিশেষত যখন অভিনেতারাও সেই দৃশ্যে উপস্থিত থাকেন। তবুও পুরো টিমের সমন্বয়ে সফলভাবে এই দৃশ্য ধারণ করা সম্ভব হয়েছে।

ছবির বিপুল সাফল্যের পর এবার নতুন প্রজেক্টের দিকেও নজর দিয়েছেন আদিত্য ধার। শোনা যাচ্ছে, ২০২৭ সালের মার্চ থেকে তাঁর পরবর্তী ছবির শুটিং শুরু হতে পারে, যেখানে আবারও মুখ্য ভূমিকায় দেখা যাবে রণবীর সিংকে।
সব মিলিয়ে, বাস্তব অ্যাকশন আর সাহসী নির্মাণশৈলীর জন্য ‘ধুরন্ধর’ ইতিমধ্যেই দর্শকদের মনে আলাদা জায়গা করে নিয়েছে।

Hello, I am BB. I have been working in blogging for more than four years.