১৬ বছর পর মিলল অর্ডার করা নোকিয়ার দামি মোবাইল, যুদ্ধ থামিয়ে রেখেছিল ডেলিভারি

এক সময় মোবাইল ফোনের দুনিয়ায় কার্যত একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল নোকিয়ার। সাধারণ মানুষের ব্যবহার থেকে শুরু করে অতি ধনীদের বিলাসবহুল চাহিদা—সবকিছুর কথাই মাথায় রেখে একের পর এক হ্যান্ডসেট বাজারে এনেছিল এই ফিনল্যান্ডের সংস্থা। নোকিয়ার সেই স্বর্ণযুগেই, ২০১০ সালে, লিবিয়ার এক ধনী ব্যবসায়ী অর্ডার করেছিলেন একাধিক অত্যন্ত দামি নোকিয়া মোবাইল ফোন।

অর্ডার দেওয়া হয়েছিল ঠিকই, কিন্তু বছরের পর বছর কেটে গেলেও সেই মোবাইল ফোন আর হাতে পাননি তিনি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি প্রায় ভুলতেই বসেছিলেন ওই ব্যবসায়ী। অথচ বিস্ময়করভাবে, ১৬ বছর পর অবশেষে সেই পুরনো অর্ডার অনুযায়ী মোবাইল ফোনগুলি তাঁর হাতে এসে পৌঁছায়।

সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, যে সেটগুলির অর্ডার তিনি করেছিলেন, ঠিক সেগুলিই ডেলিভারি দেওয়া হয়েছে—কোনও কম-বেশি নয়। তবে সমস্যা অন্য জায়গায়। এক সময় যে মোবাইলগুলি ছিল প্রযুক্তির শীর্ষে এবং অতি বিলাসের প্রতীক, আজ সেগুলি কার্যত অচল। বর্তমান স্মার্টফোন যুগে সেই পুরনো নোকিয়া সেটগুলির ব্যবহারিক মূল্য প্রায় শূন্য।

এই ঘটনাকে ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে—এত বড় দেরির কারণ কী? সংস্থার গাফিলতি, নাকি ডেলিভারির ক্ষেত্রে কোনও বড় ত্রুটি? জানা যাচ্ছে, এই দেরির জন্য মূলত দায়ী লিবিয়ার দীর্ঘস্থায়ী গৃহযুদ্ধ। যুদ্ধের কারণে এক সময় দেশটিতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, আমদানি-রপ্তানি কার্যত স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল। সেই সময়েই মাঝপথে আটকে পড়ে এই মোবাইল ফোনগুলির চালান।

পরবর্তীতে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে পুরনো আটকে থাকা পণ্যগুলিও ধীরে ধীরে ডেলিভারি হতে শুরু করে। তারই ফল হিসেবে ১৬ বছর পর ওই ব্যবসায়ী হাতে পেলেন তাঁর অর্ডার করা মোবাইল ফোন।

এই ঘটনার ভিডিও ও ছবি ইতিমধ্যেই ইন্টারনেটে ভাইরাল হয়ে গিয়েছে এবং দেশ-বিদেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। যদিও এই ঘটনার সত্যতা এখনও সব মহলে যাচাই করা হয়নি। তবুও প্রযুক্তির ইতিহাসে এটি নিঃসন্দেহে এক অভিনব ঘটনা।

আজ প্রশ্ন একটাই—এই মোবাইলগুলি কি আদৌ আর ‘ফোন’? নাকি সময়ের সাক্ষী হয়ে ওঠা এক একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন!

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক