Lifestyle: মুখের ফোলা অংশ কি সাধারণ ব্রণ, নাকি ত্বকের সিস্ট? পার্থক্য জানুন, ভুল চিকিৎসা এড়ান

মুখে হঠাৎ কোনও ফোলা অংশ দেখা গেলে অনেকেই সেটিকে সাধারণ ব্রণ বলে ধরে নেন। বিশেষ করে গাল, কপাল বা চিবুকের অংশে ছোট-বড় উঁচু ফোলাভাব দেখা দিলে তা নিয়ে খুব একটা মাথা ঘামানো হয় না। কিন্তু সব ফোলা অংশই যে ব্রণ নয়, সেই বিষয়টি জানা জরুরি। অনেক সময় ত্বকের নীচে তৈরি হওয়া সিস্টকে ব্রণ ভেবে ভুল করা হয়। ফলে ভুল চিকিৎসা বা বারবার খোঁটাখুঁটির কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।

ব্রণ ও সিস্টের মধ্যে মূল পার্থক্য
ব্রণ সাধারণত ত্বকের উপরিভাগে তৈরি হয়। ত্বকের রন্ধ্র বন্ধ হয়ে গেলে সেখানে তেল, মৃত কোষ এবং ব্যাক্টেরিয়া জমে ব্রণের সৃষ্টি হতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ব্রণ কয়েক দিন বা এক-দুই সপ্তাহের মধ্যেই শুকিয়ে যায়।

Lifestyle: মুখের ফোলা অংশ কি সাধারণ ব্রণ, নাকি ত্বকের সিস্ট? পার্থক্য জানুন, ভুল চিকিৎসা এড়ান
Lifestyle: মুখের ফোলা অংশ কি সাধারণ ব্রণ, নাকি ত্বকের সিস্ট? পার্থক্য জানুন, ভুল চিকিৎসা এড়ান

অন্যদিকে সিস্ট তৈরি হয় ত্বকের গভীরে। এটি এক ধরনের থলির মতো গঠন, যার ভিতরে পুঁজ, রক্ত, চর্বিজাতীয় পদার্থ বা অন্যান্য তরল জমা থাকতে পারে। চিকিৎসা বিজ্ঞানে একে এপিডারময়েড বা সেবাসিয়াস সিস্ট বলা হয়। এগুলি ধীরে ধীরে আকারে বাড়ে এবং দীর্ঘ সময় ধরে একই অবস্থায় থাকতে পারে।

কীভাবে চিনবেন সিস্ট?
সিস্ট সাধারণত চামড়ার নীচে শক্ত বা নরম মাংসপিণ্ডের মতো অনুভূত হয়। এটি ব্রণের তুলনায় বেশি উঁচু এবং গভীর হয়। অনেক সময় স্পর্শ করলে ব্যথা অনুভূত হতে পারে, আবার কোনও কোনও ক্ষেত্রে ব্যথা নাও থাকতে পারে।
ব্রণ দ্রুত সেরে গেলেও সিস্ট মাসের পর মাস থেকে যেতে পারে। এছাড়া সিস্টের ভিতরে জমে থাকা পদার্থের কারণে তা ফেটে গেলে সংক্রমণের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই নিজের ইচ্ছায় চেপে ফাটানো বা খোঁটাখুঁটি করা উচিত নয়।

কেন সতর্ক থাকা প্রয়োজন?
সাধারণ ব্রণ ভেবে সিস্টে হাত দেওয়া বা তা ফাটানোর চেষ্টা করলে ত্বকে প্রদাহ, সংক্রমণ এবং স্থায়ী দাগের আশঙ্কা বেড়ে যায়। অনেক ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া সিস্ট পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব হয় না। তাই দীর্ঘদিন ধরে একই জায়গায় ফোলা অংশ থাকলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

ঘরোয়া পরিচর্যায় কী করতে পারেন?

গরম সেঁক:
সিস্টের অস্বস্তি কমাতে গরম সেঁক কার্যকর হতে পারে। পরিষ্কার কাপড় গরম জলে ভিজিয়ে নিংড়ে নিয়ে আক্রান্ত স্থানে ১০ থেকে ১৫ মিনিট ধরে রাখুন। দিনে কয়েক বার এটি করা যেতে পারে।

টি ট্রি অয়েল:
টি ট্রি অয়েলের জীবাণুনাশক গুণ রয়েছে। কয়েক ফোঁটা টি ট্রি অয়েল নারকেল তেল বা ক্যাস্টর অয়েলের সঙ্গে মিশিয়ে আক্রান্ত স্থানে লাগানো যেতে পারে। তবে ব্যবহারের আগে ত্বকে অ্যালার্জি আছে কি না পরীক্ষা করে নেওয়া ভালো।

অ্যাপল সাইডার ভিনিগার:
জলের সঙ্গে সমপরিমাণ অ্যাপল সাইডার ভিনিগার মিশিয়ে তুলোর সাহায্যে আক্রান্ত স্থানে লাগানো যেতে পারে। এর অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল বৈশিষ্ট্য ত্বকের পরিচর্যায় সহায়ক হতে পারে।

কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন?
যদি ফোলা অংশ দ্রুত বড় হতে থাকে, তীব্র ব্যথা হয়, লালচে হয়ে যায় বা বারবার সংক্রমণ দেখা দেয়, তাহলে দেরি না করে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত। কারণ সব সিস্টের চিকিৎসা ঘরোয়া উপায়ে সম্ভব নয়।

মুখের যে কোনও ফোলা অংশকে সাধারণ ব্রণ ভেবে অবহেলা না করে তার প্রকৃতি বোঝার চেষ্টা করুন। সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ নিলে ত্বক সুস্থ রাখা অনেক সহজ হবে।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক