বিশ্ব সঙ্গীত দিবসে ‘আশা তাই’-কে রহমানের বিশেষ উপহার

বিশ্ব সঙ্গীত দিবসে কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলেকে স্মরণ করে এক আবেগঘন শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করলেন সুরকার এআর রহমান। এদিন তিনি প্রকাশ্যে আনলেন আশা ভোঁসলের গাওয়া শেষ গানের একটি বিশেষ ঝলক, যা মুহূর্তের মধ্যেই সঙ্গীতপ্রেমীদের আবেগাপ্লুত করে তোলে।

রহমানের প্রকাশ করা ভিডিওটিতে শুধু একটি গান নয়, বরং এক কিংবদন্তির দীর্ঘ সঙ্গীতযাত্রার প্রতি সম্মান ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ দেখা যায়। ভিডিওতে গান তৈরির নেপথ্যের বিভিন্ন মুহূর্ত তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন প্রজন্মের শিল্পী ও বাদ্যযন্ত্রশিল্পীদের একত্রে দেখা গিয়েছে, যাঁরা সুরের মাধ্যমে আশা ভোঁসলের অসামান্য অবদানকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

এআর রহমান জানিয়েছেন, এই বিশেষ উদ্যোগের পরিকল্পনা শুরু হয়েছিল তখনই, যখন আশা ভোঁসলে জীবিত ছিলেন। তাঁর ইচ্ছা ছিল, গায়িকা নিজেই যেন শিল্পী ও শ্রোতাদের ভালোবাসা এবং কৃতজ্ঞতার এই নিবেদন প্রত্যক্ষ করতে পারেন। কিন্তু চলতি বছরের এপ্রিল মাসে আশা ভোঁসলের প্রয়াণ সেই পরিকল্পনাকে অন্য মাত্রা দেয়। এরপর বিশ্ব সঙ্গীত দিবসকে উপলক্ষ করে তাঁর স্মৃতির উদ্দেশে এই শ্রদ্ধার্ঘ্য প্রকাশ করেন রহমান।

সুরকারের মতে, আশা ভোঁসলের কণ্ঠ শুধুমাত্র ভারতেই নয়, ভাষা ও দেশের সীমানা পেরিয়ে বিশ্বের অসংখ্য মানুষের হৃদয়ে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে। কয়েক দশক ধরে তাঁর গান বহু মানুষের জীবনের নানা অনুভূতির সঙ্গী হয়ে উঠেছে। তাই তাঁকে সম্মান জানানোর সবচেয়ে উপযুক্ত উপায় ছিল বিভিন্ন সংস্কৃতি, শিল্পী এবং সুরকে এক মঞ্চে এনে একটি সম্মিলিত শ্রদ্ধার্ঘ্য তৈরি করা।

ভিডিওর ঝলক প্রকাশ্যে আসতেই অনুরাগীদের মধ্যে স্মৃতিচারণের ঢেউ ওঠে। অনেকেই মনে করেন, আশা ভোঁসলের কণ্ঠ ও সঙ্গীত উত্তরাধিকারের প্রভাব আগামী প্রজন্মের শিল্পীদেরও সমানভাবে অনুপ্রাণিত করবে। বিশ্ব সঙ্গীত দিবসে রহমানের এই উদ্যোগ তাই শুধু একজন শিল্পীকে স্মরণ করা নয়, বরং ভারতীয় সঙ্গীতের এক উজ্জ্বল অধ্যায়কে নতুন করে উদযাপন করারও এক আবেগময় মুহূর্ত হয়ে উঠেছে।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক