মেষ রাশির বুধবারের দিনলিপি: দুশ্চিন্তার মাঝেও আশার আলো | ২১ জানুয়ারি ২০২৬

মেষ রাশি আত্মশক্তি, সাহস ও অদম্য মনোবলের প্রতীক। সেনাপতি মঙ্গলের অধিপত্যে এই রাশির জাতক-জাতিকারা জন্মগতভাবেই সংগ্রামী ও দৃঢ়চেতা। পরাজয় মেনে নেওয়া তাঁদের স্বভাবে নেই। জীবনযুদ্ধে একাধিক বাধা এলেও তা অতিক্রম করার মানসিক দৃঢ়তা এঁদের সহজাত।

তবে এই শক্তিমত্তার আড়ালে তমো ও রজোগুণের প্রভাবও স্পষ্ট। মেষ রাশির মানুষ বাহ্যিকভাবে উদার হলেও অন্তরের অনুভূতি সবসময় প্রকাশ পায় না। স্বার্থে আঘাত লাগলে আচরণে রুক্ষতা দেখা দিতে পারে। সহজে কারও প্রকৃত রূপ ধরা পড়ে না—সময় ও মেলামেশার মধ্য দিয়েই তাঁদের স্বভাব স্পষ্ট হয়।

যৌবনে আনন্দপ্রবণ মন থাকলেও পরবর্তী জীবনে নানা অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে তাঁরা জীবনের কঠিন বাস্তবতাকে গ্রহণ করেন। শারীরিক সুস্থতার প্রতি প্রথম দিকে যত্নশীল থাকলেও বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানসিক চাপ বাড়তে পারে।

আজ দিনটা কেমন কাটবে (২১ জানুয়ারি ২০২৬, বুধবার)

আজ মেষ রাশির জাতকদের দিনের অধিকাংশ সময় কাটবে মানসিক দুশ্চিন্তা ও অস্থিরতার মধ্যে। কর্মক্ষেত্রে বিলম্ব, যোগাযোগে জটিলতা এবং অপ্রত্যাশিত সমস্যার মুখোমুখি হতে পারেন। আর্থিক দিক থেকে বড় উন্নতির সম্ভাবনা নেই, তবে প্রয়োজনীয় অর্থ হাতে এসে যাবে। ব্যয়ের চাপ কিছুটা বাড়বে।

পারিবারিক বা ব্যক্তিগত ক্ষেত্রে অযথা মনোমালিন্য ও অশান্তির যোগ রয়েছে। কথার খাতিরে কোথাও আতিথ্য গ্রহণ করতে হতে পারে। তবে ইতিবাচক দিক হল—কোনও গুণী ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয় এবং কাছাকাছি কোথাও ভ্রমণের সম্ভাবনা। প্রেমিক-প্রেমিকাদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি ও মানসিক দূরত্ব তৈরি হতে পারে, তাই সংযম জরুরি।

শুভ ও অশুভ সময়ের গুরুত্ব

দিনের সব সময় একরকম যায় না। কিছু নির্দিষ্ট সময় শুভ কাজের পক্ষে সহায়ক হয়, আবার কিছু সময় সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলাই ভালো।

অমৃতযোগ (শুভ সময়):

সকাল ৭টা ৪৯ মিনিটের মধ্যে
সকাল ১০টা – ১১টা ২৬ মিনিট
বিকেল ৩টা ২ মিনিট – ৪টা ৪৮ মিনিট
সন্ধ্যা ৬টা ৩ মিনিট – রাত ৮টা ৪৩ মিনিট
রাত ২টো থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত

এই সময় চাকরির পরীক্ষা, যাত্রা, গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বা শুভকাজ করলে তুলনামূলক ভালো ফল আশা করা যায়।

মাহেন্দ্রযোগ:

দুপুর ১টা ৩৬ মিনিট – ৩টা ২ মিনিট

এড়িয়ে চলুন:

বারবেলা: সকাল ৯টা ৫ মিনিট – ১০টা ২৬ মিনিট, ও ১১টা ৪৭ মিনিট – ১টা ৮ মিনিট

কালরাত্রি: রাত ৩টা ৯ মিনিট – ৪টা ৪৪ মিনিট

এই সময় কোনও শুভ কাজ শুরু না করাই শ্রেয়।

প্রতিকার: কী করলে ভালো থাকবেন

প্রতি মঙ্গল ও শনিবার নিয়মিত পুজো হয় এমন হনুমান মন্দিরে চাঁপা ফুল (না পেলে জবা) এবং সুমিষ্ট পাকা ফল দিয়ে পুজো দিন। বিশ্বাস করা হয়, এতে অপ্রত্যাশিত বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়া যায় এবং সংসার ও কর্মজীবনের জটিলতা ধীরে ধীরে কাটে।

শুভ রং ও পরিবেশ

হালকা লাল, গোলাপি, হালকা নীল বা আকাশি রঙের পোশাক ব্যবহার করলে মানসিক প্রশান্তি বাড়তে পারে। সাদা রঙও শুভ। বাড়ির যে ঘরটি বেশি ব্যবহার করেন, সেখানে এই রঙগুলির কোনও একটি ব্যবহার করলে দেহ ও মনের ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

শেষ কথা

এই রাশিফল সম্পূর্ণ অনুমানভিত্তিক। একই রাশি হলেও নক্ষত্র, জন্মকালীন গ্রহের অবস্থান ও ব্যক্তিগত কর্মফলের কারণে ফলাফলে তারতম্য স্বাভাবিক। সবকিছু হুবহু মিলবে—এমন আশা না রাখাই বাস্তবসম্মত। এটিকে ভবিষ্যতের ইঙ্গিত বা আভাস হিসেবে গ্রহণ করাই যথেষ্ট।

শুধু হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয় না, জোয়ান খেলে শরীরের অনেক সমস্যা নিবারণ হয় মুখরোচক বাদাম চিক্কি খেতে দারুন, বাড়িতেই তৈরী হবে, জানুন রেসিপি এইভাবে তেজপাতা পোড়ালে দুশ্চিন্তা কেটে যাবে 5 Best Night Creams ৪ মাসের শিশু ২৪০ কোটির মালিক