'ভিখারিমুক্ত' ভারত গড়বে কেন্দ্র, ৩০টি শহরের ভিক্ষুকদের মূলস্রোতে ফেরানোই লক্ষ্য ২০২৬-এর মধ্যে, পরে জুড়বে আরও শহর | SANGBAD BHAVAN  

‘ভিখারিমুক্ত’ ভারত গড়বে কেন্দ্র, ৩০টি শহরের ভিক্ষুকদের মূলস্রোতে ফেরানোই লক্ষ্য ২০২৬-এর মধ্যে, পরে জুড়বে আরও শহর

সময়ের সাথে সাথে একাধিক উদ্যোগ নিয়ে নিয়ে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। আর এবার খুব শীঘ্রই ‘ভিখারিমুক্ত ভারত’ গড়ার পরিকল্পনা রুপায়ন করতে চলেছে তারা। ইতিমধ্যেই ৩০ টি শহরকে চিহ্নিত করা হয়েছে যেখানে ভিখারির সংখ্যা সবথেকে বেশি। এসব অঞ্চলকে ‘হটস্পট’ হিসেবে শনাক্ত করার কাজ চলছে।

শনাক্ত করার পর সেখান থেকে তাদের পুনর্বাসন দিয়ে মূলস্রোতে ফেরানোর কাজ করা হবে। আর এই শনাক্ত করার কাজে প্রশাসনকে সাহায্য করছে কেন্দ্রীয় ‘সামাজিক ন্যায় ও ক্ষমতায়ন মন্ত্রক’। এই বিষয়ে জানা যাচ্ছে ২০২৬ সালের মধ্যে ৩০ টি শহরের বিশেষ জায়গাগুলি ‘ভিখারিমুক্ত’ করা হবে।

আরও পড়ুন,
*Parineeti Chopra: গত বছর গাঁটছড়া বেঁধে সংসার পেতেছেন! নতুন বছরে আরএক চমক পরিণীতির
*অন্দরে ৭ সুইমিং পুল, ৪০ রেস্তরাঁ! যাত্রা শুরু ‘আইকন অব দ্য সিজ’ জাহাজের

তবে শুধু ৩০ নয় এই তালিকায় জুড়বে দেশের আরও বেশ কিছু শহরের নাম। খুব শীঘ্রই একটি জাতীয় পোর্টাল চালু করবে কেন্দ্রীয় সরকার। যেখানে সমস্ত পদক্ষেপ এবং সমীক্ষার তথ্য দেওয়া থাকবে। কাজ যত এগোবে ততই পোর্টালের নথিতে আপডেট করা হবে।

সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে যেসব অঞ্চলে পর্যটন এবং ঐতিহাসিক বিশেষত্ব রয়েছে সেখানেই ভিখারির সংখ্যা বেশি। যে তালিকায় রয়েছে অমৃতসর, অযোধ্যা, শ্রীনগর, তিরুবনন্তপুরম, উদয়পুর, শিমলা, বোধগয়া, মাদুরাই ইত্যাদি। আপাতত ২৫ টি শহরের হটস্পটে ভিখারিদের পুনর্বাসন দেওয়ার রূপরেখা তৈরি হয়ে গিয়েছে।

বাকি স্থানগুলিতে কাজ চলছে জোরকদমে। উল্লেখযোগ্য, ভিখারিদের মূলস্রোতে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে তাদের শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ দিয়ে কোনো কর্মক্ষেত্রে নিয়োগ করা হবে।

আরও পড়ুন,
*জ্ঞানবাপী মসজিদ হিন্দুদের দিয়ে দিন, সমীক্ষা রিপোর্ট পেতেই মুসলিম পক্ষের কাছে দাবি জানাল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ
*‘শ্রীলাকে স্যালুট ওর বিরল সাহসিকতার জন্য’, অভিনেত্রীর মৃত্যুতে সমব্যথি অঞ্জন দত্ত

Note: প্রতিবেদনে উল্লেখিত তথ্য বিভিন্ন নিউজ পোর্টাল / অনলাইনে পাওয়া তথ্যের উপর ভিত্তি করে লেখা। খবরের সত্যতা যাচাই করেনা Sangbad Bhavan। ভিডিও খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন সংবাদ ভবন YouTube পেজ। ফলো করুন Google News, Instragram, Facebook পেজ।